Warning: session_set_cookie_params(): Cannot change session cookie parameters when session is active in /home/kajkhuji/public_html/includes/theme/head.php on line 2
KajKhuji - লেকচার-২৬: বাংলা ব্যাকরণ (সন্ধি)

লেকচার-২৬: বাংলা ব্যাকরণ (সন্ধি)

Category: Bangla
Posted on: Wednesday, September 13, 2017

Share:

দুটি ধ্বনি দ্রুত উচ্চারণকালে সেগুলো আংশিক বা পূর্ণভাবে মিলন ঘটলে, অথবা লোপ পেলে অথবা বদলে গেলে এই মিলন, লোপ বা বদলকেই সন্ধি বলে। সন্ধি অর্থ মিলন। দুটি বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। যেমন: আশা + অতীত = আশাতীত,

অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট,

গো + এষণা = গোবেষণা,

বাক + দান = বাগদান,

যথা + ইচ্ছা = যথেষ্ট,

নমঃ + কার = নমস্কার ইত্যাদি।

ড. সুকুমার সেনের মতে, “পরস্পর অত্যন্ত সন্নিহিত দুই বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে।”

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, “কথোপকথনের সময় অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত উচ্চারণের ফলে পাশাপাশি দুটি ধ্বনি মিলে এক হয়ে যায়, কিংবা একটি ধ্বনির প্রভাবে অন্য ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয় বা লোপ পায়। দ্রুত উচ্চারণের ফলে পরস্পর সন্নিহিত ধ্বনির এরূপ মিলন, পরিবর্তন বা লোপকে সন্ধি বলে।

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “দুইটি (বা ক্বচিৎ দুইটির অধিক) ধ্বনি একই পদে, অথবা দুটি ভিন্ন পদে, পাশাপাশি অবস্থান করলে, দ্রুত উচ্চারণের সময় তাহাদের মধ্যে আংশিক বা পূর্ণ মিলন হয় কিংবা একটির লোপ হয় অথবা একটি অপরটির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়। এইরূপ মিলন বা লোপ বা পরিবর্তনকে সন্ধি বলে।”

জ্যেতিভূষণ চাকীর মতে, “দ্রুত উচ্চারণের ফলে পরস্পর সন্নিহিত ধ্বনির পরিবর্তন পয়। একে দুটি ধ্বনির মিলন, পরিবর্তন কিংবা লোপ হতে পারে। এরূপ মিলন বা লোপ বা পরিবর্তনকে সন্ধি বলে।

■ সন্ধির প্রয়োজনীয়তা

 ভাষাকে সহজ, সমৃদ্ধ ও গতিশীল করার জন্যে সন্ধির প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব অপরিসীম। যেমন:

১. সন্ধি ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, সেজন্য সন্ধির প্রয়োজন রয়েছে।

২.  সন্ধি স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজ প্রবনতা আনে এবং ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন করে। সেজন্য দ্রুত

  উচ্চারণের সুবিধার জন্য এবং ভাষাকে শ্রুতিমধুর করে তুলতে সন্ধি প্রয়োজন রয়েছে।

৩.  ভাষার উচ্চারণ সহজ করে ভাষাকে সাবলীল শ্রুতিমধুর করে তুলতে সন্ধির প্রয়োজন রয়েছে।

৪.  কোন লিখিত বিষয় সন্ধির সাহায্যে সহজেই বোধগম্য হয়।

৫.  শব্দের শৃঙ্খলা আনার জন্যও সন্ধির প্রয়োজন রয়েছে।

৬.  নতুন শব্দ গঠনের নিমিত্ত সন্ধির প্রয়োজন রয়েছে।

■ সন্ধি ও সমাসের পার্থক্য

 সন্ধি ও সমাস উভয়ই বাংলা ভাষায় নতুন শব্দ গঠন করে থাকে এবং ভাষাকে সংক্ষিপ্ত, সরল ও শ্রুতিমধুর করে থাকে। কিন্তু এসব মিল থাকা সত্ত্বেও উভয়ের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান। নিচের সন্ধি ও সমাসের পার্থক্য আলোচনা করা হল ঃ

  সন্ধি                   

১. দুটি বর্ণের মিলনে হয় সন্ধি।     

২. সন্ধি শব্দকে সংক্ষেপ করে।       

৩. সন্ধির ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ পায় না।      

৪. পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির একত্র মিলনকে সন্ধি বলে। 

৫. সন্ধি লক্ষ্য রাখে উচ্চারণের দিকে।         

৬. সন্ধির ক্ষেত্রে দুটি বর্ণের মধ্যবর্তী স্থানে যোগ চিহ্ন (+) ব্যবহৃত হয়।           

৭. সন্ধি প্রধানত তিন প্রকার।       

৮. সন্ধিতে শব্দের বাইরের রূপের পরিবর্তন ঘটে। কিন্তু অর্থের কোন পরিবর্তন ঘটে না।

সমাস

১. দুই বা ততোধিক পদের মিলনে হয় সমাস।

২. সমাস বাক্যকে সংক্ষেপ করে

৩. একমাত্র অলুকদ্বন্দ্ব ছাড়া সকল সমাসই পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়।

৪. পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক শব্দের একত্রিত হওয়ার নাম সমাস।

৫. সমাস লক্ষ্য রাখে অর্থের দিকে।

৬. সমাসে দুটি শব্দের মধ্যে অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়।

৭. সমাস প্রধানত ছয় প্রকার।

৮. সমাসের ক্ষেত্রে অর্থের পরিবর্তন হয়ে একার্থবোধক পদের উৎপত্তি হয়।

■ সন্ধির প্রকারভেদ

সচেতন দৃষ্টিতে বিচার করলে দেখা যাবে উচ্চারণের সঙ্গে সন্ধির রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। বাংলা ভাষা সংস্কৃত থেকে সরাসরি উদ্ভূত নয় বলে বাংলা ও সংস্কৃত উচ্চারণে প্রকৃতি এক রকম নয় বলে বৈশিষ্ট্যগতভাবে বাংলার সংস্কৃত সন্ধি ভিন্ন প্রকৃতির। কিšুÍ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে গৃহীত বলে সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম সে সবক্ষেত্রে অপরির্হায। বাংলা ভাষায় সন্ধি প্রধানত দু’প্রকার। যথা: ১. স্বরসন্ধি এবং ২. ব্যঞ্জনসন্ধি। তবে আধুনিক ভাষাবিদগণ সন্ধিকে চার ভাগে ভাগ করে আলোচনা করতে আগ্রহী। যেমন: ১. স্বরসন্ধি, ২. ব্যঞ্জনসন্ধি, ৩. বিসর্গ সন্ধি এবং ৪. খাঁটি বাংলা সন্ধি।

১. স্বরসন্ধি ঃ স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের যুক্ত হওয়াকে স্বরসন্ধি বলে। যেমন:

সিংহ + আসন = সিংহাসন,

যথা + ইচ্ছা = যথেচ্ছা,

দেব + ঋষি = দেবর্ষি,

শীত + ঋত = শীতার্ত,

অপর + অপর = অপরাপর,

নব + অন্ন = নবান্ন,

স্ব + অধীন = স্বাধীন,

প্রতি + ঈক্ষা = প্রতীক্ষা ইত্যাদি।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, “দুটি স্বর নিকটবর্তী হলে প্রায়ই তাদের মিলনে একটি স্বর উৎপন্ন হয়, তাকে স্বরধ্বনি বলে।”

ড. সুকুমার সেনের মতে, “দুটি পরস্পর সন্নিহিত স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে একটি মাত্র স্বরবর্ণে পরিণত হলে অথবা পূর্ববর্তী স্বরের পরিবর্তন হলে তাকে স্বরধ্বনি বলে।”

২. ব্যঞ্জনসন্ধি ঃ ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের অথবা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। যেমন:

মুখ + ছবি = মুখচ্ছবি,

বাক্ + ধারা = বাগধারা,

সম্ + সার = সংসার,

উৎ + যাপন = উদ্যাপন,

তৎ + অবদি = তদবধি,

এক + দশ = একাদশ,

দিগ + অন্ত = দিগন্ত,

দিক + গজ = দিগগজ,

উৎ + ভব = উদ্ভব,

সৎ + ভাব = সদ্ভাব ইত্যাদি

ড. সুকুমার সেনের মতে, “দুটি পরস্পর সন্নিহিত ব্যঞ্জনবর্ণ মিলিত হলে অথবা স্বরবর্ণের পূর্ববর্তী বা পরবর্তী ব্যঞ্জন বর্ণের পরিবর্তন হলে তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, “ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরের বা ব্যঞ্জনের যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।”

৩. বিসর্গ সন্ধিঃ বিসর্গের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণ বা স্বরবর্ণের মিলনকে বিসর্গ সন্ধি বলে। যেমন:

আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ,

পুরঃ + কার = পুরস্কার,

নিঃ + আকার = নিরাকার,

মনঃ + হর = মনোহর,

দুঃ + কর = দুষ্কর,

মনঃ + রম = মনোরম,

নিঃ + চয় = নিশ্চয়,

সরঃ + বর = সরোবর,

নিঃ + চিহ্ন = নিশ্চিহ্ন,

দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা ইত্যাদি।

৪. খাঁটি বাংলা সন্ধি ঃ তৎসম শব্দ ছাড়া বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অন্য শব্দে (দেশি, বিদেশী) যে সন্ধি হয় তাকে খাঁটি বাংলা সন্ধি বলে। খাঁটি বাংলা শব্দে সন্ধির কোন সঠিক পদ্ধতি নেই। এদের বিশিষ্ট কিছু রীতি ও উচ্চারণ রীতি আছে। চলিত ভাষাতেই এদের প্রয়োগ দেখা যায়। খাঁটি বাংলা সন্ধি দু’প্রকার; যথা- (ক) খাঁটি বাংলা স্বরধ্বনি এবং (খ) খাঁটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি।

স্বরসন্ধি

১. অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়। আ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

অ + অ = আ

নর + অধম = নরাধম                             

আ + আ = আ

মাত্রা + আধিক্য = মাত্রাধিক্য

অ + অ = আ

প্রাণ + অন্ত = প্রাণান্ত                               

অ + আ = আ

হিম + আচল = হিমাচল

অ + অ = আ

অন্য + অন্য = অন্যান                              

আ + অ = আ

মহ + অর্ঘ = মহার্ঘ

অ + অ = আ

হিত + অহিত = হিতাহিত                        

অ + আ = আ

জল + আশয় = জলাশয়

অ + অ = আ

নব + অন্ন = নবান্ন                                             

অ + আ = আ

রত্ন + আকর = রত্নাকর

অ + অ = আ

শশ + অঙ্ক = শশাঙ্ক                                 

অ + আ = আ

ভয় + আর্ত = ভয়ার্ত

আ + আ = আ

বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়                                   

অ + আ = আ

উপ + আখ্যান = উপাখ্যান

আ + আ = আ

কারা + আগার = কারাগার                                   

অ + অ = আ

মন + অন্তর = মনান্তর

আ + আ = আ

সা + আনন্দ = সদানন্দ                         

অ + অ = আ

সপ্ত + অহ = সপ্তাহ

আ + আ = আ

ভাষা + অন্তর = ভাষান্তর             

অ + অ = আ

পর + অধীন = পরাধীন

আ + আ = আ

ক্ষুধা + আর্ত = ক্ষুধার্ত

অ + আ = আ

গ্রন্থ + আগার = গ্রন্থাগার             

আ + অ = আ

আজ্ঞা + অধীন = আজ্ঞাধীন

আ + আ = আ

তৃষ্ণা + আর্ত = তৃষ্ণার্ত                

আ + অ = আ

মহা + অর্ণব = মহার্ণব

আ + অ = আ

তথা + অপি = তথাপি                 

আ + আ = আ

দয়া + আর্দ্র = দয়ার্দ্র

আ + অ = আ

যথা + অর্থ = যথার্থ                    

অ + অ = আ

অপর + অপর = অপরাপর

আ + অ = আ

হত্যা + অপরাধ = হত্যাপরাধ                   

অ + অ = আ

ধর্ম + অধর্ম = ধর্মাধর্ম

অ + আ = আ

কুশ + আসন = কুশাসন               

অ + আ = আ

সিংহ + আসন = সিংহাসন

অ + আ = আ

চন্দ্র + আনন = চন্দ্রানন              

আ + অ = আ

কথা + অমৃত = কথামৃত

আ + আ = আ

আশা + অতীত = আশাতীত                      

আ + অ = আ

নিন্দা + অর্হ = নিন্দাই

আ + আ = আ

মহা + আকাশ = মহাকাশ            

আ + আ = আ

মহা + আশয় = মহাশয়

২. ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে ঈ-কার হয়, ঈ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

ই + ই = ঈ

রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র                               

ঈ+ ই = ঈ

রথী + ইন্দ্র = রথীন্দ্র

ই + ঈ = ঈ

পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা                 

ই + ঈ = ঈ

সতী + ঈশ = সতীশ

ই + ই = ঈ

যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র                              

ই + ঈ = ঈ

গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র

ই + ঈ = ঈ

পতি + ঈক্ষা = প্রতীক্ষা                

ই + ই = ঈ

ক্ষিতি + ঈশ = ক্ষিতীশ

ই + ই = ঈ

অতি + ইত = অতীত                               

ই +ই = ঈ

অতি + ইব = অতীব

ই + ই = ঈ

অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট                               

ই + ই = ঈ

মুক্তি + ইচ্ছা = মুক্তীছা

ই + ই = ঈ

প্রতি + ইতি = প্রতীতি                 

ই + ঈ = ঈ

অধি + ঈশ্বর = অধীশ্বর

ই + ঈ = ঈ

গিরি + ঈশ = গিরীশ                               

ঈ + ই = ঈ

সুধী + ইন্দ্র = সুধীন্দ্র

ঈ + ই = ঈ

শচী + ইন্দ্র = শচীন্দ্র                                

ঈ + ই = ঈ

অবনী + ইন্দ্র = অবনীন্দ্র

ঈ + ই = ঈ

মহী + ইন্দ্র = মহীন্দ্র                                

ঈ + ঈ = ঈ

লক্ষী + ঈশ্বর = লক্ষীশ্বর

ঈ + ঈ = ঈ

শ্রী + ঈশ = শ্রীশ                         

ঈ + ঈ = ঈ

পৃথ্বী + ঈশ্বর = পৃথ্বীশ্বর

৩. ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই এবং ঈ ছাড়া অন্য স্বরবর্ণ থাকলে ই বা ঈ স্থানে ‘য’ হয়। য-ফলা

( ্য ) পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

ই + অ = য-ফলা + অ

প্রতি + অহ = প্রত্যহ        

ই + অ = য-ফলা + অ

অতি + অন্ত = অত্যন্ত

ই + অ = য-ফলা + অ

বি + অবস্থা = ব্যবস্থা       

ই + আ = য-ফলা + অ

আদি + অন্ত = আদ্যন্ত

ই + আ = য-ফলা + আ

ইতি + আকার = ইত্যাকার          

ই + এ = য-ফলা + এ

প্রতি + এক = প্রত্যেক

ই + উ = য-ফলা + ঊ

অতি + উক্ত = অত্যুক্তি   

ঈ + অ = য-ফলা + অ

নদী + অম্বু = নদ্যম্বু

ই + অ = য-ফলা   +  অ

অতি + অধিক = অত্যধিক          

ই + আ = য-ফলা + আ

প্রতি + আশা = প্রত্যাশা

ই + আ = য-ফলা + আ

ইতি + আদি = ইত্যাদি    

ই + আ = য-ফলা + আ

পরি + আলোচনা = পর্যালোচনা

ই + অ = য-ফলা + অ

গতি + অন্তর = গত্যন্তর   

ই + উ = য-ফলা + উ

প্রতি + উত্তর = প্রত্যুত্তর

ই + আ = য-ফলা + আ

অতি + আচার = অত্যাচার          

ই + উ = য-ফলা + উ

প্রতি + উপকার = প্রত্যুপকার

ই + ঊ = য-ফলা + ঊ

নি + ঊনতম = নূন্যতম   

ই + উ = য-ফলা + উ

অভি + উদয় = অভ্যুদয়

ই + অ = য-ফলা + অ

আদি + অন্ত = আদ্যন্ত      

ই + ঊ = ঊ + ফলা + ঊ

প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ

ই + উ = য-ফলা + উ

উপরি + উপরি = উপর্য্যুপরি        

ই + ঐ = য-ফলা + ঐ

অতি + ঐশ্বর্য্য = অত্যৈশ্বর্য

৪. উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঊ-কার হয়, ঊ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

উ + উ = ঊ

কটু + উক্তি = কটুক্তি                              

উ + উ = ঊ

সাধু + উত্তম = সাধূত্তম

উ + উ = ঊ

মরু + উদ্যান = মরূদ্যান             

উ + ঊ = ঊ

লঘু + ঊর্মি = লঘুর্মি

উ + উ = ঊ

সু + উক্তি = সূক্তি                       

উ + উ = ঊ

অনু + উদিত = অনুদিত

উ + উ = ঊ

মধু + উৎসব = মধূৎসব             

ঊ + উ = ঊ

বধূ + উক্তি = বধূক্তি

উ + উ = ঊ

গুরু + উপদেশ = গুরূপদেশ                      

উ + উ = ঊ

সাধু + উক্তি = সাধূক্তি

ঊ + ঊ = ঊ

ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব                                  

উ + উ = ঊ

সু + উচ্চ = সূচ্চ

৫. উ-কার বা ঊ-কারের পর উ-কার বা ঊ-কার ছাড়া অন্য স্বরবর্ণ থাকলে উ কিংবা ঊ স্থানে ‘ব’ হয়। ব-ফলা পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

উ + এ = ব+এ

অনু + এষণ = অন্বেষণ    

উ + অ = ব+অ

মনু + অন্তর = মন্বন্তর

উ + অ = ব+অ

সু + অল্প = স্বল্প              

উ + অ = ব+অ

পশু + অধম = পশ্বধম

উ + অ = ব+অ

অনু + অয় = অন্বয়                     

উ + আ = ব+আ

সু + আগত = স্বাগত

উ + ই = ব+ই

অনু + ইত = অন্বিত                    

উ + ঈ = ব+ঈ

তনু + ঈ = তন্বী

উ + অ = ব+অ

সু + অচ্ছ = স্বচ্ছ                        

উ + আ = ব+আ

পশু + আচার = পশ্বাচার

উ + আ = ব+আ

অনু + আদি = অন্বাদি                 

উ + ঋ = ব+ঋ

বহু + ঋচ = বহ্বৃচ

৬. অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়; এ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

অ + ই = এ

দেব + ইন্দ্র = দেবেন্দ্র                

অ + ঈ = এ

গণ + ঈশ = গণেশ

আ + ই = এ

যথা + ইচ্ছা = যথেচ্ছা                 

আ + ঈ = এ

উমা + ঈশ = উমেশ

আ + ই = এ

মহা + ইন্দ্র = মহেন্দ্র                   

আ + ঈ = এ

ঢাকা + ঈশ্বরী = ঢাকেশ্বরী

অ + ই = এ

নর + ইন্দ্র = নরেন্দ্র                    

অ + ঈ = এ

ভব + ঈশ = ভবেশ

আ + ঈ = এ

রমা + ঈশ = রমেশ                     

অ + ঈ = এ

নর + ঈশ = নরেশ

অ + ই = এ

শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা                

অ + ঈ = এ

পরম + ঈশ্বর = পরমেশ্বর

অ + ঈ = এ

অপ + ঈক্ষা = অপেক্ষা                 

আ + ই = এ

যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট

আ + ঈ = এ

মহা + ঈশ = মহেশ                     

অ + ই = এ

স্ব + ইচ্ছা = স্বেচ্ছা

অ + ই = এ

পর + ঈশ = পরেশ                                   

অ + ই = এ

গজ + ইন্দ্র = গজেন্দ্র

অ + ই = এ

রাজ + ইন্দ্র = রাজেন্দ্র                 

অ + ই = এ

পূর্ণ + ইন্দু = পূর্ণেন্দু

৭. অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ও-কার হয়। ও-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

অ + ঊ = ও

নব + ঊঢ়া = নবোঢ়্য                   

অ + উ = ও

মহা + উৎসব = মহোৎসব

আ + উ = ও

যথা + উচিত = যথোচিত            

আ + উ = ও

মহা + উপকার = মহোপকার

অ + উ = ও

নর + উত্তম = নরোত্তম                

অ + উ = ও

সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়

অ + ঊ = ও

চল + ঊর্মি = চলোর্মি       

অ + উ = ও

জল + উচ্ছ্বাস = জলোচ্ছ্বাস

আ + উ = ও

কথা + উপকথন = কথোপকথন    

অ + উ = ও

যথা + উচিত = যথোচিত

অ + উ = ও

ফল + উদয় = ফলোদয়               

অ + উ = ও

নীল + উৎপল = নীলোৎপল

অ + উ = ও

পর + উপকার = পরোপকার                    

আ + উ = ও

যথা + উপযুক্ত = যথোপযুক্ত

অ + উ = ও

পদ + উন্নতি = পদোন্নতি             

অ + উ = ও

প্রশ্ন + উত্তর = প্রশ্নোত্তর

অ + উ = ও

হিত + উপদেশ = হিতোপদেশ       

অ + ঊ = ও

এক + ঊন = একোন

আ + উ = ও

গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি                  

অ + ঊ = ও

গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহোর্ধ্ব

আ + উ = ও

মহা + উদয় = মহোদয়                

অ + ঊ = ও

পর্বত + ঊর্ধ্ব = পর্বতোর্ধ্ব

৮. অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ-কার থাকলে উভয়ে মিলে র্অ হয়। র্অ রেফ ( র্ ) রূপে পরবর্তী বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

অ + ঋ = অর

উত্তম + ঋণ = উত্তমর্ণ                             

আ + ঋ = অর

মহা + ঋষি = মহর্ষি

অ + ঋ = অর

দেব + ঋষি = দেবর্ষি                               

অ + ঋ = অর

সপ্ত + ঋষি = সপ্তর্ষি

আ + ঋ = অর

রাজা + ঋষি = রাজর্ষি                              

অ + ঋ = অর

অধম + ঋণ = অধমর্ণ

৯. অ-কার কিংবা আ-কারের পর যদি ‘ঋত’ থাকে তাহলে ‘অর’: এর পরিবর্তে ‘আর’ হয়। ‘আর’: এর পর রেফ (র্ ) হয়। যেমন:

অ + ঋ = আর

শোক + ঋত = শোকার্ত                           

আ + ঋ = আর

ক্ষুধা + ঋত = ক্ষুদার্ত

আ + ঋ = আর

তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণাত                 

আ + ঋ = আর

পিপাসা + ঋত = পিপাসার্ত

অ + ঋ = আর

শীত + ঋত = শীতার্ত                  

আ + ঋ = আর

বন্যা + ঋত = বন্যার্ত

অ + ঋ = আর

ভয় + ঋত = ভয়ার্ত                             

অ + ঋ = আর

পরম + ঋত = পরমার্ত

আ + ঋ = আর

বেদনা + ঋত = বেদনার্ত

১০. অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার থাকলে কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়; ঐ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

অ + এ = ঐ

জন + এক = জনৈক                    

আ + এ = ঐ

সদা + এব = সদৈব

অ + ঐ = ঐ

মত + ঐক্য = মতৈক্য                 

অ + এ = ঐ

হত + এষণা = হিতৈষণ্য

আ + এ = ঐ

তথা + এব = তথৈব                    

অ + এ = ঐ

অন + একা = অনৈক্য

আ + ঐ = ঐ

মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য    

আ +ঐ = ঐ

রাজা + ঐশ্বর্য = রাজৈশ্বর্য়

অ + ঐ = ঐ

বিপুল + ঐশ্বর্য = বিপুলৈশ্বর্য          

অ + ঐ = ঐ

ধন + ঐশ্বর্য = ধনৈশ্বর্য

১১. অ-কার কিংবা আ-কারের পর ও-কার কিংবা ঔ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ-কার হয়; ঔ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

অ + ও = ঔ

জল + ওকা = জলৌকা                 

আ + ঔ = ঔ

মহা + ঔষধ = মহৌষধ

অ + ঔ = ঔ

উত্তম + ঔষধ = উত্তমৌষধ                      

অ + এ = ঔ

বন + ওষধি = বনৌষধি

অ + ঔ = ঔ

চিত্ত + ঔদার্য = চিত্তৌদার্য             

অ + ঐ = ঔ

পরম + ঔষধ = পরমৌষধ

অ + ও = ঔ

মাংস + ওদন = মাংসৌদন            

অ + ঐ = ঔ

দিব্য + ঔষধ = দিবৌষধ

১২. ঋ-কারের পর ঋ-কার ছাড়া যে-কোন স্বরধ্বনি থাকলে ঋ-স্থানে ‘র’ হয়; ‘র’ র-ফলা হয়ে পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

ঋ + অ = রা

পিতৃ + অনুমতি                           

ঋ + আ = রা

পিতৃ + আলয় = পিত্রালয়

ঋ + আ = রা

পিতৃ + পিত্রাদেশ 

ঋ + আ = রা

মাতৃ + আদেশ = মাত্রাদেশ

১৩. ও-কারের সাথে স্বরবর্ণ থাকলে ও-কার স্থানে ‘অব’ হয়। অ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয় এবং পরের স্বর ‘ব’-এর সাথে যুক্ত হয়। যেমন:

ও + অ = অব

পো + অন = পবন          

ও + এ = এব

গো + এষণা = গবেষণা

ও + অ = অব

পো + অন = লবণ          

ও + অ = অব

ভো + অন = ভবন

ও + ই = ইব

পো + ইত্র = পবিত্র

১৪. ঔ-কারের পর স্বরবর্ণ থাকলে ঔ-কার স্থানে ‘আব’ হয়। আ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়, পরের স্বর ‘ব’-এর সাথে যুক্ত হয়। যেমন:

ঔ + ই = আবি

নৌ + ইক = নাবিক        

ঔ + অ = আব

শী + অক = শাবক

ঔ + উ = আবু

ভৌ + উক = ভাবু          

ঔ + অ = আব

পৌ + অক = পাবক

ঔ + উ = আবু

চৌ + উক = চাবুক

□ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি ঃ যেসব সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না তাদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। যেমন:

বিম্ব + ওষ্ঠ = বিম্বোঠ      

সার + অঙ্গ = সারঙ্গ

কুল + অটা = কুলটা        

গো + অক্ষ = গবাক্ষ

স্ব + ঈর = স্বৈর  

মনঃ + ঈষা = মনীষা

গো + ইন্দ্র = গবেন্দ        

মাত + অন্ড = মার্তন্ড

স্বৈরা + আচার = স্বৈরাচার           

সীমন + অন্ত = সীমান্ত

স্ব + ঈরিণী = স্বৈরিণী     

প্র + উঢ় = প্রোঢ়

দশ + ঋণ = দশার্ণ          

অক্ষ + উহিনী = অক্ষৌহিনী

মনঃ + ঈষা = মনীষা      

গো + অস্থি = গবাস্থি

অন্য + অন্য = অন্যান্য    

সীম + অন্ত = সীমান্ত

গো + ঈশ্বর = গবেশ্বর     

প্র + এষণা = প্রেষণা

ব্যঞ্জনসন্ধি

বাংলা ভাষায় দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে ব্যঞ্জন সন্ধিজাত শব্দ। স্বরবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণের কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের সন্ধি হলে তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। ব্যঞ্জনসন্ধির কতিপয় সূত্র নিচে দেওয়া হল ঃ

১.স্বরবর্ণ পরে থাকলে বর্গের প্রথম বর্ণের স্থানে সেই বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বর্ণ বা য, র, ল্, ব্ পরে থাকলে বর্গের প্রথম বর্ণের স্থানে তৃতীয় বর্ণ হয়। যেমন:

ক্ ˃ গ্

দিক্ + অন্ত = দিগন্ত                    

ত ˃ দ

সৎ + ভাব = সদ্ভাব

ট ˃ ড়

ষ্ট + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র                                              

ক ˃ গ

দিক্ + গজ = গিগজ

ত ˃ দ

তৎ + অন্ত = তদৗল্প                                            

ত ˃ দ

জীবৎ + দশা = জীবদ্দশা

ত ˃ দ

জগৎ + ঈশ = জগদীশ                                        

ট্ ˃ ড়্

ষট্ + আনন = ষড়ানন

ক ˃ গ

দিক + বিদিক = দিগি¦দিক                                                

ত ˃ দ

জগৎ + বন্ধু = জগদ্দন্ধু

ক ˃ গ

বাক + আড়ম্বর = বাগাড়ম্বর                                           

প ˃ ব

অপ + ইন্দন = অবিন্দন

ত ˃ দ

তৎ + অবধি = তদবধি                                       

ট্ ˃ ড়্

ষট্ + আনন = ষড়ানন

ক ˃ গ

বাক্ + ঈশ = বাগীশ

২. চ কিংবা ছ থাকলে পূর্ববর্তী ত্ ও দ্ স্থানে চ্ হয়। যেমন:

চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র     

উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ

বিপদ + চিন্তা = বিপচ্চিন্তা

তৎ + ছবি = তচ্ছবি

উৎ + চারণ = উচ্চারণ   

তৎ + ছায় = তচ্ছায়

বিপদ + চয় = বিপচ্চয়    

সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা

সৎ + চরিত্র = সচ্চরিত্র    

উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ

তৎ + ছবি = তচ্ছবি       

উৎ + ছন্ন = উচ্ছন্ন

প্র + ছদ = প্রচ্ছদ 

আ + ছাদন = আচ্ছাদন

রবি + ছবি = রবিচ্ছবি    

অনু + ছেদ = অনুচ্ছেদ

৩. জ কিংবা ঋ থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে জ হয়। যেমন:

ত + জ = জ্জ

সৎ + জন = সজ্জন                                              

ত + ঋ = জ্ঝ

কুৎ + কটিকা = কুজ্ঝটিকা

দ + জ = জ্জ

বিপদ + জনক = বিপজ্জনক                                   

দ + দ = জ্জ

বিপদ + জাল = বিপজ্জাল

ত + জ্ব = জ্জ্ব

উৎ + জ্বল = উজ্জ্বল                                

ত + জ = জ্জ

জগৎ + জ্যোতি = জগজ্জ্যোতি

ত + জ = জ্জ

যাবৎ + জীবন = যাবজ্জীবন                                 

ত + জ = জ্জ

জগৎ + জীবন = জগজ্জীবন

দ + জ = জ্জ

তদ + জন্য = তজ্জন্য                               

দ + ঝ = জ্ঝ

পদ + ঝটিকা = পজ্ঝটিকা

৪. ড থাকলে পূর্ব পদের ‘ত’ স্থানে ড্ হয়। যেমন:

উৎ + ডীন = উড্ডীন      

উৎ + ডয়ন = উড্ডয়ন

৫. ল পরে থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে ল হয়। যেমন:

ত + ল = ল্ল

উৎ + লাশ = উল্লাস                                            

ত + ল = ল্ল

উৎ + লেখ = উল্লেখ

ত + ল = ল্ল

উৎ + লেখ্য = উল্লেখ্য                              

ত + ল = ল্ল

বিদ্যুৎ + লতা = বিদ্যুল্লতা

দ + ল = ল্ল

তদ্ + লিখিত = তল্লিখিত                         

ত + ল = ল্ল

উৎ + লিখিত = উল্লিখিত

ত + ল = ল্ল

সম্পদ + লাভ = সম্পল্লাভ                        

ত + ল = ল্ল

উৎ + লম্ফ = উল্লম্ফ

দ + ল = ল্ল

তদ + লোক = তল্লোক

৬. শ পরে থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে চ্ এবং শ্ স্থানে ছ হয়। যেমন:

ত + শ = চ্ছ

উৎ + শৃঙ্খল = উচ্ছৃঙ্খল               

ত + শ = চ্ছ

চলৎ + শক্তি = চলচ্ছক্তি

ত + শ = চ্ছ

উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাস                               

ত + শ = চ্ছ

উৎ + শ্বসিত = উচ্ছ্বসিত

দ + শ = চ্ছ

তদ + শ্রাবণ = তচ্ছ্রবণ

৭. স্বরবর্ণ অথবা গ, ঘ, দ, ধ, ব, ভ, র, ল, ব, হ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ত্ স্থানে দ্ হয়। যেমন:

ত + আ = দ

সৎ + আশয় = সদাশয়                            

ত + য = দ

উৎ + যোগ = উদ্যোগ

ত + অ = দ

তৎ + অন্ত = তদন্ত                                             

ত + শ = দ

উৎ + ভিদ = উদ্ভিদ

৮. চ্ কিংবা জ-এর পর ন স্থানে ঞ হয়। যেমন:

চ + ন = ঞ

যচ্ + না = যাচঞা                                              

জ + ন = ঞ

যজ + ন = যজ্ঞ

জ + ন = ঞ

রাজ + নী = রাজ্ঞী

৯. ন্ কিংবা ম্ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ত্ ও দ্ স্থানে ন্ এবং ক স্থানে ঙ হয়। যেমন:

ত + ম = ন্ম

মৃৎ + ময় = মৃন্ময়                                   

ত + ম = ন্ম

চিৎ + ময় = চিন্ময়

ক + ন = ঙ্ন

দিক + নির্ণয় = দিঙনির্ণয়            

ট্ + ম = ন্ম

ষট্ + মাস = ষন্মাস

দ + ম = ন্ম

উদ + মত্ত = উন্মত্ত                                 

ত + ম = ন্ম

তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে

ত + ম = ন্ম

তৎ + ময় = তন্ময়                                 

ত + ম = ন্ম

বাক্ + ময় = বাঙ্ময়

দ্ + ন = ন্ম

উদ্ + নাসিকা = উন্নাসিকা 

 ১০. মূধন্য ‘ষ’ -এর পর ত্ কিংবা থ্ থাকলে ত্ স্থানে ট এবং থ্ স্থানে ঠ হয়। যেমন:

ষ + ত = ষ্ট

হৃষ + ত = হৃষ্ট              

ষ + ত = ষ্ট

দৃষ + তি = দৃষ্টি

ষ + থ = ষ্ঠ

পৃষ + থ = পৃষ্ঠ               

ষ + ত = ষ্ট

উৎ + কৃষ + ত = উৎকৃষ্ট

ষ + ত = ষ্ট

বৃষ + তি = বৃষ্টি             

ষ + ত = ষ্ট

কৃষ + তি = কৃষ্টি

ষ্ + থ = ষ্ঠ

ষষ্ + থ = ষষ্ঠ               

ষ + ত = ষ্ট

তুষ + ত = তুষ্টি

ষ্ + ত = ষ্ট

নষ্ + ত = নষ্ঠ

১১. স্পর্শ বর্ণ পরে থাকলে পদের অন্তঃস্থিত ‘ম’ স্থানে সেই বর্গের পঞ্চম বর্ণ হয়। যেমন:

ম + ক = ঙ্ক

শ্ম + কর = শঙ্কর                                   

ম + গ = ঙ্গ

সম্ + গীত = সঙ্গীত

ম + চ = ঞ্চ

সম্ + চয় = সঞ্চয়                                    

ম + জ = ঞ্জ

সম্ + জীবনী = সঞ্জীবনী

ম + ত = ন্ত

সম্ + তান = সন্তান                                

ম + প = ম্প

সম + পূর্ণ = সম্পূর্ণ

ম + দ = ন্দ

সম + দর্শন = সন্দর্শন                  

ম + ভ = ম্ভ

সম + ভার = সম্ভার

১২. পদের অন্তঃস্থিত ত্ কিংবা দ্-এর পরে হ্ থাকলে ত হয় এবং দ্ ও হ্ স্থানে ‘ধ’ হয়। যেমন:

ত + হ = দ্ধ

উৎ + হত = উদ্ধত                                 

ত + হ = দ্ধ

উৎ + হার = উদ্ধার

ত + হ = দ্ধ

উৎ + হৃত = উদ্ধৃত                                

দ + হ = দ্ধ

তদ + হিত = তদ্ধিত

দ + হ = দ্ধ

পদ + হতি = পদ্ধডু                                 

ত + হ = দ্ধ

উৎ + হরণ = উদ্ধারণ

১৩. ‘উৎ’ এই উপসর্গের পরস্থিত স্থা ধাতুর স্ এর লোপ হয়। যেমন:

ত + স্থা = স্থা

উৎ + স্থান = উত্থান                               

ত + স্থা = ত্থ

উৎ + স্থাপিত = উত্থাপিত

ত + স্থা = স্থা

উৎ + স্থান = উত্থাপন

১৪. অন্তঃস্থ বর্ণ (য্,র্ , ল্, ব্ ) কিংবা উষ্ম বর্ণ ( শ, ষ, স, হ ) পরে থাকলে পদের অন্তঃস্থিত ‘ম’ স্থানে অনুস্বার ( ং ) হয়। যেমন:

ম + য = ংয

সম + যোগ = সংযোগ                  

ম + স = ংস

সম + সার = সংসার

ম + ব = ংব

কিম + বা = কিংবা                                 

ম + ব = ংব

সম + বরণ = সংবরণ

ম + র = ংর

সম + রক্ষণ = সংরক্ষণ               

ম + হ = ংহ

সম + হার = সংহার

ম + ব = ংব

সম + বাদ = সংবাদ                                

ম + য = ংম

সম + যম = সংযম

ম + শ = ংশ

সম + শয় = সংশয়                                 

ম + ল = ংল

সম + লগ্ন = সংলগ্ন

ম + ব = ংব

সম + বর্ধনা = সংবর্ধনা               

ম + শ = ংশ

সম + শোধন = সংশোধন

ম + ল = ংল

সম +লাপ = সংলাপ                                

ম + ব = ংম

স্বয়ম + বরা = স্বয়ংবরা

ম + ব = ংব

কিম + বদন্তী = কিংবদন্তী                        

ম + শ = ংশ

সম + শপ্তক = সংশপ্তক

১৫. প্রত্যয় যোগে পদ মধ্যে সন্ধি হয়। যেমন:

শ্ + ত = ষ্ট

দৃশ্ + ত = দৃষ্ট                           

ষ্ + থ = ষ্ঠ

ষষ্ + থা = ষষ্ঠ

হ্ + ত = ঢ়

গুহ + ত = গূঢ়                           

ষ্ + থ = ষ্ঠ

নষ্ + থা = নিষ্ঠা

জ্ + ন = জ্ঞ

যজ্ + ন = যজ্ঞ                          

হ্ + ত = গ্ধ

দুহ্ + ত = দুগ্ধ

চ্ + ন = চঞ

যাচ্ + না = যাচঞা                                  

হ্ + ত = গ্ধ

মুহ্ + ত = মুগ্ধ

ধ্ + ত = দ্ধ

বুধ + ত = বুদ্ধ

১৬. আধুনিক বাংলায় ‘ম’ :এর পরে ক, খ, গ বাঘ থাকলে ‘ম’-এর স্থানে প্রায়ই ‘ঙ’ না হয়ে ‘ং’ হয়। যেমন:

ম + গ = ংগ

সম্ + গত = সংগত                    

ম + ঘ = ংঘ

সম্ + ঘ = সংঘ

ম + খ = ংখ

সম্ + খ্যা = সংখ্যা                      

ম + ক = ংক

সম্ + কীর্ণ =সংকীর্ণ

ম + ঘ = ঝহ

সম্ + ঘাত = সংঘাত                  

ম + গ = ংগ

সম্ + গীত = সংগীত

ম + ক = ংক

অহম্ + কার = অহংকার             

ম + গ = ংগ

সম্ + গঠন = সংগঠন

১৭. সম্ এবং পরি উপসর্গের পরে কৃত-ধাতু নিষ্পন্ন পদ থাকলে উক্ত পদের পূর্বে যথাক্রমে ‘স’ ও ‘ষ’ -এর আগমন ঘটে এবং সম শব্দের ‘ম’ স্থানে অনুস্বার ( ং ) হয়। যেমন:

ম + কৃ = ংস্কৃ

সম্ + কৃত = সংস্কৃত                   

রি + কৃত = ষ্কৃ

পরি + কৃত =পরিষ্কৃত

ম + কা = ংস্ক

সম + কার = সংস্কার                  

রি + কা = ষ্কা

পরি + কার = পরিষ্কার

১৮. কতকগুলো সন্ধি নিপাতনে সিদ্ধ হয়। যেমন:

আ + চর্য = আশ্চর্য                                                         

তৎ + কর = তস্কর

পত + অঞ্চলি= পতঞ্জলি                                       

এক + দশ = একাদশ

বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি                                      

পর + পর = পরস্পর

গো + পদ = গোষ্পদ                                                        

বন + পতি = বনস্পতি

দিব + লোক = দ্যুলোক

বিসর্গসন্ধি

১. চ বা ছ পরে থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘শ’ হয়। যেমন:

ঃ + চ = শ্চ

নিঃ + চয় = নিশ্চয়                     

ঃ + চ = শ্চ

নিঃ + চিহ্ন = নিশ্চিহ্ন

ঃ + চ = শ্চ

দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা                   

ঃ + ছ = :

শিরঃ + ছেদ = শির:ছেদ

ঃ + চ = শ্চ

দুঃ + চরিত্র = দূশ্চরিত্র                 

ঃ + ছ = :

দুঃ + ছেদ্য = দু:ছেদ্য

২. ট বা ঠ পরে থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘ষ’ হয়। যেমন:

ঃ + ঠ = ষ্ঠ

নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর         

ঃ + ট = ষ্ট

ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার

৩. ত বা থ পরে থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘স’ হয়। যেমন:

ঃ + ত = স্ত

নিঃ + তার = নিস্তার                   

ঃ + ত = স্ত

ইতঃ + তত = ইতস্তত

ঃ + ত = স্ত

নিঃ + তেজ = নিস্তেজ                  

ঃ + ত = স্ত

মনঃ + তাপ = মনস্তাপ

৪. অ-কার ও ব্যঞ্জনবনের মধ্যের বিসর্গ ও-কার হয়। যেমন:

ঃ ˃ ও

মনঃ + যোগ = মনোযোগ             

ঃ ˃ ও

সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত

ঃ ˃ ও

মনঃ + হর = মনোহর                              

ঃ ˃ ও

অধঃ + গতি = অধোগতি

৫. অ, আ ছাড়া স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যের বিসর্গ ‘র’ হয়। যেমন:

ঃ ˃ র

দুঃ + গতি = দুর্গতি                                 

ঃ ˃ র

আবিঃ + ভাব = আবির্ভাব

ঃ ˃ র

আশীঃ + বাদ = আর্শীবাদ

৬. স্বরবর্ণ, বর্গের তয়, ৪র্থ, ৫ম বর্ণ অথবা য, র, ল, ব, হ পরে থাকলে অ-কারের পরস্থিত র-জাত বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন:

অন্তঃ + আত্মা = অন্তরাত্মা                                    

নিঃ + অবধি = নিরবধি

৭.‘র’ পরে থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী হ্রস্ব ই: কার দীর্ঘ ঈ-কার হয়। যেমন:

নিঃ + রব = নীরব                                                          

নিঃ + রস = নিরস

নিঃ + রোগ = নীরোগ

খাঁটি বাংলা সন্ধি

সাধারণত খাঁটি বাংলা সন্ধি হয় না। তবে উচ্চারণকালে কিছু কিছু সন্ধি আপনা আপনি হয়ে পরে। এসব সন্ধি সমীকরণ ও বর্ণলোপের নিয়মে ফেলা যায়।

■ বাংলা স্বরসন্ধি

১. অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়। যেমন:

অ + অ = আ

আইন + অনুসারে = আইনানুসারে             

অ + আ = আ

দুষ্ট + আমি = দুষ্টামি

২. অ-কার কিংবা আ-কারের পর ‘ঈ’ থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়। এ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন:

আ + ঈ = এ

ঢাকা + ঈশ্বরী = ঢাকেশ্বরী

৩. আ-কারের পর উ-কার থাকলে উভয়ে মিলে উ-কার হয়। যেমন:

আ + উ = উ

মিথ্যা + উক = মিথ্যুক                            

আ + উ = উ

নিন্দা + উক = নিন্দুক

৪. ই-কারের পর এ-কার থাকলে আ-কার লোপ পায়। যেমন:

ই + এ = এ

খানি + এক = খানিক                              

ই + এ = ই

কুড়ি + এক = কুড়িক

৫. এ-কারের পরে আ-কার থাকলে আ-কার লোপ পায়। যেমন:

এ + আ = এ

ছেলে + আমি = ছেলেমি                           

এ + আ = এ

মেয়ে + আলি = মেয়েলি

৬. অ-কারান্ত সর্বনাম বা অব্যয় পদের পর ‘ই’ বা ‘ও’ থাকলে পূর্বের ‘অ’ লোপ পায়। যেমন:

অ + ই = ই

যেমন + ই = যেমনি                                 

আ + ও = ও

কোন + ও = কোনো

অ + ও = ও

আমার + ও = আমারো

■ বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি

১. দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ পাশাপাশি থাকলে প্রথমটি যদি অঘোষ বর্ণ হয় এবং দ্বিতীয়টি যদি অঘোষ বর্ণ হয়, তাহলে অনেক সময় তাড়াতাড়ি উচ্চারণে প্রথমটির উচ্চারণ ঘোষ বর্ণের মত হয়। যেমন:

পাঁচ + জন = পাঁজ্জন                                

বট + গাছ = বড্গাছ

নাত + বৌ = নাদবৌ                               

পাপ + ভয় = পাপভয়

২. দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ পাশাপাশি থাকলে প্রথমটি যদি ঘোষ বর্ণ হয় এবং দ্বিতীয়টি যদি অঘোষ বর্ণ হয়, তবে দ্রুত উচ্চারণের ক্ষেত্রে প্রথমটি অঘোষ হয়ে যায়।

৩. ‘চ’ বর্ণের পর শ, ষ, স থাকলে তাড়াতাড়ি উচ্চারণে চ-এর ধ্বনি শ-এর ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন:

পাঁচ + শ = পাঁশ্শ            

পাঁচ + সের = পাঁশসের

পাঁচ + ষোলং = পাঁশ্শোলং

৪. ‘ত’ -বর্গের বর্ণের পরে চ-বর্গের বর্ণ থাকলে ত-বর্গের বর্গের ধ্বনি অনেক স্থলে চ-বর্গের সঙ্গে বিকল্পে মিশ্রিত হয়। যেমন:

সাত + জন = সাদ্জন     

নাত + জামাই = নাজ্জামাই

কোথা + যাব = কোজ্জাব  

বাদ + যাবে = বাজ্জাবে

৫. পূর্বে ‘র’ এবং পরে অন্য ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে ‘র’-ও ব্যঞ্জনবর্ণে পরিণত হয়। যেমন:

চার + শ = চাশ্শ            

মুড়ির + চাক = মুড়িচ্চাক

ঘোড়ার + ডিম = ঘোড়াড্ডিম

কতিপয় সন্ধির প্রয়োগ

ঊনাশি = ঊন + আশি

অন্বয় = অনু + অয়                     

অন্বেষণ = অনু + এষণ    

ইতস্তত = ইতঃ + তত     

ঋতু = ঋ + তু

অতীত = অতি + ইত      

ইত্যাদি = ইতি + আদি 

ঋগে¦দ = ঋক্ + বেদ

অত্যন্ত = অতি + অন্ত      

ইত্যাকার = ইতি + আকার          

ঋত্মিক = ঋতু + যজ + ক্বিপ

অন্যান্য = অন্য + অন্য     ঈ                     

ঋণ = ঋষ্ + য

অতএব = অত + এব      

ইশ্বর = ঈশ্ + বর           

অত্যাধিক = অতি + অধিক         

ঈদগাহ = ঈদ্ + গাহ       

এই = এ + ই

অভ্যুত্থান = অভি + উত্থান                              

এবং = ই + বম্

অহংকার = অহম + কার 

উক্ত = বচ +      ক্ত       

একঘা = এক + ঘা

অহরহ = অহঃ + অহঃ    

উচ্চ = উৎ + চি + অ      

একোন = এক + ঊন

অনেক = অন + এক       

উজ্জ্বল = উৎ + জ্বল        

একত্রিত = একত্র + ইত

অধীশ্বর = অধি + ঈশ্বর   

উচ্ছ্বাস = উৎ + শ্বাস       

একান্ত = এক + অন্ত

অদ্যাবধি = অদ্য + অবধি

উচ্ছেদ = উৎ + ছেদ       

এদ্দিন = এত + দিন

অনূদিত = অনু + উদিত  

উত্থিত = উৎ + স্থিত      

একাদশ = এক + দশ

অর্ন্তধান = অন্তঃ + ধান    

উদ্যম = উৎ + যম         

একচ্ছত্র = এক + ছত্র

অন্বেষা = অনু + এষা      

উদ্ধত = উৎ + হত         

একাহারী = এক + আহারী

অন্বিত = অনু + ইত        

উৎসর্গ = উৎ + সর্গ        

অতীব = অতি + ইব       

উন্মাদ = উৎ + মদ্ + অ 

ঐক্য = এক + য

অত্যুক্তি = অতি + উক্তি  

উমেশ = উমা + ঈশ        

ঐচ্ছিক = ইচ্ছা + এক

অভীষ্ট = অভী + ইষ্ট       

উন্নত = উৎ + নত         

ঐতিহ্য = ঐতিহ + য

অত্যাচার = অতি + আচার          

উন্নয়ন = উৎ + নয়ন     

ঐশ্বর্য = ঈশ্বর + য

অভ্যুদয় = অভি + উদয়  

উচ্ছৃঙ্খল = উৎ + শৃঙ্খল   

ঐতিহাসিক = ইতিহাস + ইক

অপরাপর = অপর + অপর           

উৎঘাটন = উৎ + ঘাটন

ঐহিক = ইহ + ইক

অলংকার = অলম + কার

উপন্যাস = উপ + নি + অস্ + অ  

ঐরূপ = ঐ + রূপ

অধস্তন = অধঃ + তন     

উন্নতি = উদ্ + নতি       

ঐশ্বরিক = ঈশ্বর + ইক

অর্ন্তগত = অন্তঃ + গত     

উৎচ্ছন্ন = উৎ + সন্ন       

ঐকান্তিক = একান্ত + ইক

অধোগতি = অধঃ + গতি 

উৎছিন্ন = উৎ + ছিন্ন      

ঐন্দ্রজালিক = ইন্দ্রজাল + ইক

অহর্নিশ = অহঃ + নিশ    

উল্লেখ = উৎ + লেখ        

অধমর্ণ = অধম + ঋণ     

উল্লাস = উৎ + লাস        

ওষ্ঠ্য = উষ্ + ঠ

অপেক্ষা = অপ + ঈক্ষা     

উত্থান = উৎ + স্থান       

ওষধি = ওষ্ + ধ + ই

উদ্ধার = উৎ + হার        

আরেক = আর + এক      

উদ্যোগ = উৎ + যোগ     

ঔষ্ঠ্য = ঔষ্ঠ্য + য

আদ্যন্ত = আদি + অন্ত      

উদ্ধৃত = উৎ + হৃত        

ঔরস = উরস্ + অ

আন্না = র্আ + না          

উন্মেষ = উৎ + মিশ্ + ত

ঔচিত্য = উচিত + য

আদিষ্ট = আ + দিশ্ + ত  

উন্মূল = উৎ + মূল         

ঔব্য = উর্বী + অ

আচ্ছাদন = আ + ছাদন   

উড্ডীন = উৎ + ডীন      

ঔদ্ধত্য = উদ্ধত + য

আশাতীত = আশা + অতীত         

উন্নীত = উৎ + নীত       

ঔৎসুক = উৎসুক + য

আবির্ভাব = আবিঃ + ভাব           

উচ্চারণ = উৎ + চারণ   

আয়ুষ্কাল = আয়ুঃ + কাল  

উত্থাপন = উৎ + স্থাপন   

কর্তা = কৃ + তৃচ

আধেক = আধ + এক      

উপবাস = উপ + বস্ + অ           

কর্ম = কৃ + মন

আকৃষ্ট = আ + কৃষ + ত  

উৎকৃষ্ট = উৎ + কৃষ + ত

কৃষ্টি = কৃষ্ + তি

আশ্চর্য = আ + চর্য         

কিংবা = কিম + বা

আজকাল = আজ + কাল  

ঊহ্য = উহ্ + য  

কটুক্তি = কটু + উক্তি

আবিষ্কার = আবিঃ + কার

ঊর্বাস্থি = ঊরু + অস্থি    

কথামৃত = কথা + অমৃত

আর্শিবাদ = আশীঃ + বাদ 

ঊষর = ঊষ + র

কারাগার = কারা + আগার

আস্পদ = আঃ + পদ       

ঊর্ণনাভ = ঊর্ণ + নাভ    

কিংবদন্তী = কিম্ + বদন্তী

কিংকরী = কিম্ + করী   

কুচ্ছিত = কুৎ + সিত      

ঘ্রাণ = ঘ্রা + আন

টাকশাল = টাকা + শাল

কুলটা = কুল + অটা        

ঘর্ম = ঘৃ + ম      

ঠকবাজ = ঠক + বাজ

কিঞ্চিৎ = কিম্ + চিৎ      

ঘর্ষণ = ঘৃষ + অন          

টেকসই = টেক + সই

কালের = কার + এর       

ঘটক = ঘট্ + অক          

ঠুনকা = ঠুন্ + কা

কুশাসন = কু + আসন     

ঘটকালি = ঘটক + আলি  ড

কুঞ্ঝটিকা = কুৎ + ঝটিকা

ঘোড়দৌড় = ঘোড়া + দৌড়         

ডাকাত = ডাক + আইত

কথাচ্ছলে = কথা + ছলে   

ডিঙি = ডিঙা + ই

কথোপকথন = কথা + উপকথন    

চন্দ্র = চন্দ + র  

ডাকঘর = ডাক + র

চয়ন = চি + অনঢ,

খ্যাত = খ্যা + ত 

চতুর = চত্ + উর          

ঢাকাই = ঢাকা + আই

খেচর = খে + র্চ + অ      

চাক্ষুষ = চক্ষুস্ + অ        

ঢেঁকিশাল = ঢেঁকি + শাল

ক্ষয় = ক্ষি + অ  

চতুর্থ = চর্তু + থ 

ণিজন্ত = নিচ্ + অন্ত

ক্ষমা = ক্ষম্ + অ + আ    

চতুর্দশ = চতুঃ + দশ       

ঢাকেশ্বরী = ঢাকা + ঈশ্বরী

ক্ষান্ত = ক্ষম + ত

চতুষ্পার্শ্ব = চতুঃ + পার্শ্ব   

ঢুলী = ঢোল + ই

ক্ষুণœ = ক্ষদ্ + ত           

চতুর্ভুজ = চতুঃ + ভুজ     

ক্ষতি = ক্ষন + তি           

চক্ষুষ্মান = চক্ষুঃ + মান    

তন্বী = তনু + ই

ক্ষুর্ধাত = ক্ষুদ + ঋত       

চরিত্র = র্চ + ইত্র 

তন্মাত্র = তৎ + মাত্র

খনেক = খন + এক         

চাতুরি = চর্তু + ই           

তস্কর = তৎ + কর

ক্ষুদ্র = ক্ষদ্ + অ  

চলোর্মি = চল + ঊর্মি       

তদ্ধিত = তৎ + হিত

ক্ষুব্ধ = ক্ষভ্ + ত 

চিন্ময় = চিৎ + ময়        

তৎপর = তৎ + পর

ক্ষিপ্ত = ক্ষিপ্ + ত           

চিরায়ত = চির + আয়ত 

তৎকাল = তৎ + কাল

ক্ষত = ক্ষণ্ + ত 

চতুষ্পদ = চতুঃ + পদ      

তথাপি = তথা + পি

ক্ষুধা = ক্ষুধ + আ           

চতুর্মূখ = চতুঃ + মুখ       

তদন্ত = তদ্ + অন্ত

ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা         

চতুষ্কোণ = চতুঃ + কোণ  

তপস্যা = তপস + য + আ

চক্ষুরোগ = চক্ষুঃ + রোগ  

তরুচ্ছায়া = তরু + ছায়া

গঙ্গা = গম্ + গ + আ      

ততোধিক = ততঃ + ধিক

গতি = গম্ + তি

ছন্ = ছদ্ + ত   

তান্ত্রিক = তন্ত্র + ইক

গব্য = গো + য  

ছাত্র = ছত্র + অ  

তাপস = তাপস্ + অ

গিন্নি = গৃহিণী + ই          

ছাত্রাবাস = ছাত্র + আবাস

তারতম্য = তারতম + য

গ্রন্থি = গ্রন্থ + ই  

ছত্রছায়া = ছত্র + ছায়া     

তিলেক = তিল + এক

গ্রাহ্য = গ্রহ + য  

ছোড়দা = ছোট + দাদা    

তিরোধান = তিরঃ + ধান

গামছা = গা + মুছ + আ  

ছেলেমি = ছেলে + আমি   

তৃষ্ণার্ত = তৃষ্ণা + ঋত

গবাদি = গো + আদি       

ত্রৈমাসিক = ত্রৈমাস + ইক

গন্তব্য = গম্ + তব্য        

জনক = জন + অক        

স্থানা = স্থান + আ

গৈরিক = গিরি + ইক      

জলৌকা = জল + ওকা     

তন্ময় = তৎ + ময়

গোমেদ = গো + মিদ + অ

জগদ্দল = জগৎ + দল     

তখনই = তখন + ই

গত্যন্তর = গতি + অন্তর   

জীবদ্দশা = জীবৎ + দশা 

তদ্রুপ = তৎ + রূপ

গণ্য = গণ্ + ষ  

জনৈক = জন + এক        

তদ্ভব = তৎ + ভব

গদ্য = গদ্ + য   

জগজ্জন = জগৎ + জন    

তৎসব = তৎ + সম

গূঢ় = গুহ + ত   

জগন্নাথ = জগৎ + নাথ   

তথৈব = তথা + এব

গ্রন্থ = গ্রন্থ্ + অ  

জগবন্ধু = জগৎ + বন্ধু    

তন্মধ্যে = তৎ + মধ্যে

গ্রাম = গ্রম + ম   ঝ        

তপস্বী = তপস + বিন

গায়ক = গৈ + অক         

ঝঙ্কার = ঝম্ + কার       

তপোবন = তপঃ + বন

গোষ্পদ = গো + পদ        

ঝঞ্ঝা = ঝম্ + ষট্ + আ   

তাত্ত্বিক = তত্ত্ব + ইক

গবাক্ষ = গো + অ           

ঝনৎকার = ঝনৎ + ঝাট

তারুণ্য = তরুণ + য

গিরিশ = গিরি + ঈশ       

ঝঞ্ঝাট = ঝম্ + ঝাট       

তাৎপর্য = তৎপর + য

গণেশ = গণ + ঈশ          

ঝরনা = র্ঝ + না

তামসিক = তামস্ + ইক

গবেষণা = গো + এষণা               

তিরোভাব = তিরঃ + ভাব

তিরস্কার = তিরঃ + কার 

নিগ্রহ = নিঃ + গ্রহ + অ   

প্রত্যুত্তর = প্রতি + উত্তর

তেজস্কর = তেজঃ + কর 

নবীন = নব + ঈন          

প্রেক্ষা = প্র + ঈক্ষা

ত্রৈলোক = ত্রিলোক + য    

নিতান্ত = নি + তম্ + ত  

পবন = পো + অন

নরাধম = নর + অধম     

পবিত্র = পো + ইত্র

দিগন্ত = দিগ্ + অন্ত         

নমনীয় = নম + অনীয়    

প্রত্যেক = প্রতি + এক

দিগি¦জয় = দিক্ + বিজয় 

নমস্কার = নমঃ + কার    

প্রত্যুষ = প্রতি + উষ

দুগ্ধ = দুহ্ + ত   

নিরাকার = নিঃ + আকার

প্রতীত = প্রতি + ইত

দুস্তর = দুঃ + তর           

নিরবধি = নির + অবধী  

পাঁচেক = পাঁচ + এক

দুর্জন = দুঃ + জন           

নবান্ন = নব + অন্ন         

পুনশ্চ = পুনঃ + চ

দুশ্চিন্তা = দুঃ + চিন্তা       

নর্তক = নৃত + অক        

পদ্ধতি = পৎ + হতি

দুর্বোধ = দুঃ + বোধ        

নায়ক = নৈ + অক         

পুনর্জন্ম = পুনঃ + জন্ম

দুষ্কর = দুষ্ + কর           

নাস্তিক = নাস্তি + ইক      

পরস্পর = পর + পর

দুর্গতি = র্দু + গতি           

নিষ্পাপ = নিঃ + পাপ      

পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ

দুরন্ত = র্দু + অন্ত 

নিরোগ = নিঃ + রোগ     

প্রত্যাখ্যান = প্রতি + আখ্যান

দেবেন্দ্র = দেব + ইন্দ্র      

নীরব = নিৎ + রব         

পিত্রালয় = পিতৃ + আলয়

দ্যুলোক = দিব্ + লোক    

নিশ্চিত = নিঃ + চিত      

পরিষ্কার = পরিঃ + কার

দিকভ্রান্ত = দিক + ভ্রান্ত    

নিষ্কর = নিঃ + কর         

পদস্খলন = পদঃ + স্খলন

দিগি¦দিক = দিক্ + বিদিক্           

নিস্তার = নিঃ = তার       

প্রাতঃকাল = প্রাতঃ + কাল

দুঃস্থ = দুঃ + স্থ   

নির্জন = নিৎ + জন        

পরমশ্বের = পরম + ঈশ্বর

দুর্যোগ = দুঃ + যোগ        

নির্বাক = নিঃ + বাক       

পরমৌষধ = পরম + ঔষধ

দুর্দম = দুঃ + দম 

নিগূঢ় = নি + গুহ + ত    

পরোপকার = পর + উপকার

দুর্বার = দুঃ + বার          

নিবৃত = নিঃ + বৃত       

দুর্দিন = দুঃ + দিন           

নাটক = নট + অক         

ফলন = ফল্ + অন

দুর্নীতি = দুঃ + নীতি       

নিপাত = নি + পত্ + অ  

ফলাহার = ফল + আহার

দুরবস্থা = দুঃ + অবস্থা    

নরোত্তম = নর + উত্তম    

ফলন্ত = ফল্ + অন্ত

দুরাত্মা = দুঃ + আত্মা      

নিপীড়ন = নি + পীড়ন    

ফলোদয় = ফল + উদয়

দেবর্ষি = দেব + ঋষি       

নিরাময় = নিরা + ময়     

দংশন = দন্ + শন          

নিরাপদ = নিঃ + আপদ   

বক্তা = বচ্ + তৃ

নিরুদ্বেগ = নিঃ + উদ্বেগ  

বন্যা = বন + য + আ

ধন্না = র্ধ + না     প         

বর্ষা = বৃষ + অ + আ

ধনুষ্টঙ্কর = ধনুঃ + টঙ্কর  

প্রৌঢ় = প্র + ঊঢ় 

বক্তৃতা = বক্তৃ + তা

ধনেশ = ধন + ঈশ          

প্রাপ্তি = প্র + আপ্তি           

বর্জন = বৃজ্ + অন

ধনুর্বিদ্যা = ধনুঃ + বিদ্যা  

প্রেষণ = প্র + এষণ          

বিচ্ছেদ = বি + ছেদ

ধর্তব্য = = ধৃ + তব্য       

পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা     

বাগীশ = বাক্ + ঈশ

ধ্রিয়মান = ধৃ + মান        

প্রত্যহ = প্রতি + অহ        

বীরেন্দ্র = বীর + ইন্দ্র

প্রতীক্ষা = প্রতি + ঈক্ষা    

বহিষ্কার = বহিঃ + কার

নয়ন = নে + অন           

প্রত্যাশা = প্রতি + আশা   

বক্ষোপরি = বক্ষ + উপরি

নবোঢ়া = নব + উঢ়া       

পাবক + পো + অক        

বাঁদরামি = বাঁদও + আমি

নর্তকী = নর্তক + ঈ        

পূর্ণেন্দু = পূর্ণ + ইন্দু        

বিদ্যুদ্বেগ = বিদুৎ + বেগ

নাবিক = নৌ + ইক        

পুনর্বার = পুনঃ + বার     

বাগদান = বাক + দান

নিশ্চয় = নিঃ + চয়         

পর্যবেক্ষণ = পরি + অবক্ষেপণ      

বন্ধু = বন্ধ + উ

নিস্তেজ = নিঃ + তেজ      

পুরস্কার = পুরঃ + কার    

বৃষ্টি = বৃষ্ + তি

নীরস = নিঃ + রস          

প্রতিচ্ছবি = প্রতি + ছবি   

ব্যর্থ = বি + অর্থ

নিষ্ঠুর = নিঃ + টুর          

প্রত্যুপকার = প্রতি + উপকার       

বদ্বীপ = ব + দ্বীপ

নিষ্প্রাণ = নিঃ + প্রাণ      

পর্যালোচনা = পরি + আলোচনা     

বর্ণনা = বর্ণ + আ

নিন্দুক = নিঃ + উক       

পরিচ্ছেদ = পরি + ছদ     

বারেক = বার + এক

নিস্তব্ধ = নিঃ + স্তব্ধ         

পশ্চাধম = পশু + অধম   

বোনাই = বোন + আই

নির্দয় = নিঃ + দয়          

পুনরায় = পুনঃ + রায়     

বিদ্যালয় = বিদ্যা + আলয়

নিঃস্ব = নিঃ + স্ব

প্রিয়ংবদা = প্রিয়ম্ + বদা 

বহিস্কৃত = বহিঃ + কৃত

বাগদত্তা = বাক্ + দত্তা     

যথার্থ = যথা + অর্থ        

ষড়যন্ত্র = ষট্ + যন্ত্র

বশংবদ = বশং + বদ      

যাচ্ছেতাই = যা + ইচ্ছা + তাই      

বয়োঃসন্ধি = বয়ঃ + সন্ধি

যদ্দিন = যত + দিন        

ষড়ঋতু = ষট্ + ঋতু

বাগাড়ম্বর = বাক্ + আড়ম্বর       

যথেচ্ছা = যথা + ইচ্ছা     

ষড়ানন = ষট্ + আনন

যথোচিত = যথা + উচিত

ভক্তি = ভজ্ + তি          

যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন         

স্বেচ্ছা = স্ব + ইচ্ছা

ভদ্র = ভন্দ + র  

স্বচ্ছ = সু + অচ্ছ

ভিক্ষা = ভিক্ষ্ + অ + আ 

রূঢ় = রুহ + ত  

সংজ্ঞা = সম্ + জ্ঞা

ভাবুক = ভাব + উক      

রমেশ = রমা + ঈশ         

সিংহ = সিম্ + হ

ভাস্কর = ভাস্ + কর       

রবীন্দ্র = রবি + ইন্দ্র       

স্বার্থ = সু + অর্থ

ভাগ = ভজ্ + য 

রূপসী = রূপ + সী          

সংযম = সম্ + যম

ভাত = ভা + ত  

রূপালী = রূপা + আলি    

সঞ্চয় = সম্ + চয়

ভুক্ত = ভুজ্ + ত

রাজ্ঞী = রাজ + নী          

সন্তোষ = সম্ + যম

ভয়ার্ত = ভয় + আর্ত      

রাজর্ষি = রাজা + ঋষি     

সংশয় = সম্ + শয়

ববন = ভো + অন          

রথীন্দ্র = রথি + ইন্দ্র       

সংগীত = সম্ + গীত

সম্রাট = সম্ + রাজ

মিথ্যা = মিথ্ + য + আ   

সংসার = সম্ + সার

মুখ্য = মুখ + খ  

লগ্ন = লগ্ + ত

সন্ন্যাস = সম্ + ন্যাস

মহৎ = মহ + অৎ           

লব্ধ = লব্ + ত   

সংঘাত = সম্ + ঘাত

মহার্ঘ = মহা + অর্ঘ         

লুপ্ত = রুপ্ + ত  

সংযোগ = সম্ + যোগ

মনীষা = মনস্ + ঈষা     

লবঙ্গ = লো + অঙ্গ          

সন্ত্রাস = সম্ + ত্রাস

মতৈক্য = মত + ঐক্য     

লেখক = লিখ্ + অক       

সংলগ্ন = সম্ + লগ্ন

মার্ত- = মার্ত + অ-         

লঘূর্মি = লঘু + ঊর্মি        

সৌভাগ্য = সু + ভাগ্য

মহীন্দ্র = মহী + ইন্দ্র        

লক্ষ্মী = লক্ষ + ম + ঈ     

সজ্জন = সৎ + জন

মনোহর = মনঃ + হর      

লয় = লী + অ    

সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা

মনোরম = মনঃ + রম     

লবণ = লো + অন          

সদৈব = সদা + এব

মহোৎসব = মহা + উৎসব           

লোকালয় = লোক + আলয়          

সতীন্ত্র = সতী + ইন্দ্র

মহৌষধ = মহা + ঔষধ   

লুকোচুরি = লুকো + চুরি  

সুধীন্দ্র = সুধী + ইন্দ্র

মরূদ্যান = মরু + উদ্যান         

সংরক্ষণ = সম্ + রক্ষণ

মুখচ্ছবি = মুখ + ছবি      

শম্ভু = শম্ + ভূ   

সংঘটন = সম্ + ঘটন

মিশকালো = মিমি + কালো           

শঙ্কা = শম্ + কা 

সরোবর = সরঃ + বর

মুক্ত = মুচ্ + ত  

শয়ন = শী + অন           

সিংহাসন = সিংহ + আসন

মুগ্ধ = মুহ্ + ত   

শুভেচ্ছা = শুভ + ইচ্ছা    

সর্বংসহা = সর্বং + সহা

মহত্ত্ব = মহৎ + ব           

শীতার্ত = শীত + ঋত      

সদানন্দ = সদা + আনন্দ

মহর্ষি = মহা + ঋষি        

শশাঙ্ক = শশ + অঙ্ক         

স্বাধীন = স্ব + অধীন

মিথ্যুক = মিথ্যা + ক       

শোকার্ত = শোক + ঋত   

স্বৈর = স্ব + ঈর

মৃন্ময় = মৃৎ + ময়          

শিরোচ্ছেদ = শিরঃ + উচ্ছেদ         

স্বল্প = সু + অল্প

মহেশ = মহা + ঈশ         

শরৎচন্দ্র = শরৎ + চন্দ্র   

সংখ্যা = সম্ + খা

মন্বন্তর = মনু + অন্তর      

শয্যা = শী + য + আ       

সিক্ত = সিচ + ত

মনস্তাপ = মনঃ + তাপ    

শ্রীশ = শ্রী + ইশ  

সংবাদ = সম্ + বাদ

মনোযোগ = মনঃ + যোগ 

শ্রবণ = শ্রু + অন           

সংলাপ = সম্ + লাপ

মহাশয় = মহা + আশয়   

শতেক = শত + এক        

সন্তাপ = সম্ + তাপ

মতানৈক্য = মত + অনৈক্য           

শাঁখারী = শাঁখা + আরী   

সন্ধান = সম্ + ধান

মহৌশ্বর্য = মহা + ঐশ্বর্য   

শচীন্দ্র = শচী + ইন্দ্র        

সংস্কার = সম্ + কার

মূলোচ্ছেদ = মূল + উচ্ছেদ

শিরোঃপীড়া = শিরঃ + পীড়া         

সম্মান = সম্ + মান

মহার্নব = মহা + অর্নব    

শুদ্ধোধন = শুদ্ধ + ধন    

সম্রাজ্ঞী = সম্ + রাজ + নী

সংহার = সম্ + হার

যতীন্দ্র = যতি + ইন্দ্র      

ষষ্ট = ষষ্ + থ   

সংসদ = সম্ + সদ

যথেষ্ট = যথা + ইষ্ট         

ষোড়শ = সট্ + দশ‘       

সংঘর্ষ = সম্ + ঘর্ষ

সংস্কৃত = সম্ + কৃত

সম্বন্ধ = সম্ + বন্ধ

সরোজ = সরঃ + জ

স্বাগত = সু + আগত

সপ্তর্ষি = সপ্ত + ঋষি

সত্যেন্দ্র = সত্য + ইন্দ্র

সতীশ = সতী + ঈশ

সদ্ভাব = সৎ + ভাব

সীমান্ত = সীমন্ + অন্ত

সংবর্ধনা = সম্ + বর্ধনা

সচ্চরিত্র = সৎ + চরিত্র

সূর্যোদয় = সূর্য + উদয়

সংশোধন = সম্ + শোধন

সয়ংবরা = সয়ম্ + বরা

সত্যানন্দ = সত্য + আনন্দ

হিংসা = হিন্ + সা

হিতৈষী = হিত + এষী

হিমালয় = হিম + আলয়

হিতোপদেশ = হিত + উপদেশ

হরিচন্দ্র = হরি + চন্দ্র

হস্তাক্ষর = হস্ত + অক্ষর

হিংসুক = হিংসা + উক

হিমাদ্রি = হিম + অদ্রি

হিতাহিত = হিত + অহিত

হিমাচল = হিম + অচল

হাটবাজার = হাট + বাজার

হৃদয়োগরে = হৃদয় + উপরে