ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি (Electronics Technology)

Category: Science
Posted on: Sunday, September 17, 2017

Share:

মাধ্যম: যে পদার্থের মধ্য দিয়ে চার্জ প্রবাহিত হয় তাকে মাধ্যম বলে। এটি মূলত তিন প্রকার।

  • পরিবাহীঃ মানবদেহ, এসিড, মাটি, ক্ষার, এসিড মিশ্রিত পানি।
  • অর্ধ পরিবাহীঃ সিলিকন , জার্মেনিয়ম, আর্সেনিক, বোরন, ক্যাডমিয়াম ইত্যদি।
  • অপরিবাহীঃ কাঁচ, রেশম, পশম, রবার, অভ্র ইত্যাদি।

 

এক্স-রে : দ্রম্নতগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন সহসা কঠিন ঘাতব পদার্থে আঘাত করলে উহা হতে এক্ম্র রে উৎপন্ন হয ।

  • বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এটি আবিস্কার করনে।
  • ব্যবহারঃ (খ) রোগ চিকিৎসা (গ) গোয়েন্দা বিভাগ (ঘ) শিল্প (ঘ) কৃষিক্ষেত্রে
  • তেজস্ক্রিয়তা: তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে স্বতঃস্ফুর্তভাবে অবিরাম এক রহস্যময় কণা বা রশ্মি নির্গত হয় একে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
  • ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিস্কার করেন।
  • উদহরণ: ইউরেনিয়ম, নেপচুনিয়াম, বেরিয়াম, রেডিয়াম, পলোনিয়াম ইত্যাদি।

 

অপটিক্যাল ফাইবার:

  • কাঁচ নির্মিত তন্তু বিশেষ।
  • তথ্যপরিববহনের আধুনিকতম পরিবাহী।
  • পূর্ণ অভ্যত্মরীণ প্রতিফলনকে কাজে লাগানো হয়।

 

ব্ল্যাক বক্সঃ

  • এক প্রকার রেকর্ডার যন্ত্র যা বিমানের ককপিটে রক্ষিত থাকে।
  • এর রেকর্ডারে পাইলটদের শেষ আধ ঘন্টা কথা রেকর্ড হয়ে থাকে।
  • এটি ১০০০ সেঃ পর্যন্ত এর কোন ও ক্ষতি হয় না।

 

ফিশন:  ফিশনের মূলনীতি বিভাজন।

  • ১৯৩৯ সালে দুই জার্মান বিজ্ঞানী অটোহ্যান ও স্টোসম্যান এ প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন।
  • যেসব পরমাণুর পারমানবিক সংখ্যা ৯২ বা তার অধিক তারা সাধারণত এই বিক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে।
  • ফিশন পদ্ধতিকে ভিত্তি করে পারমাণবিক বোমা তৈরী করা হয়।

 

ফিউশন:  ফিউশনের মূলনীতি যোজন। এই পদ্ধতিতে সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়।

 

পারমানবিক চুল্লি: যে যান্ত্রিক ব্যাবস্থার সাহায্যে নিয়ন্ত্রিতভাবে নিউক্লিয়াসের ক্রমিক বিভাজন দ্বারা বিপুল পরিমান পারমানবিক শক্তি অর্জন করা যায় উহাকে পারমানবিক রিঅ্যাক্টর বলে।

  • এ চুল্লিতে U235 এর পরমানুকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
  • এ জ্বালানী  ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে  প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করে।
  • বোরন বা ক্যাডমিয়াম দন্ড ব্যবহার করে চুল্লিতে বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
  • ফিউশণ নীতির উপর ভিত্তি করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরী করা হয়েছে।

 

 

ইলেকট্রনিক্স তথ্যকণিকা:

  • ট্রানজিষ্টর আবিস্কার সময় থেকে ইলেকট্রনিক্সের যাত্রা শুরম্ন।
  • এটমের নাম দেন ডেমোক্রিটাস।
  • 1803  সালে ডাল্টন এটম এর নতুন ধারণা দেন।
  • নিউক্লিয়াস প্রোটন ও নিউট্রন সমন্বয়ে গঠিত।
  • প্রোটন ধনাত্নক চার্জ যুক্ত বা ইলেকট্রনের চার্জের সমান।
  • 1919 সালে প্রোটন আবিস্কার করেন বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড।
  • নিউটন চার্জবিহীন কণিকা।
  • নিউট্রন আবিস্কার করেন চ্যাডউইক (1932 সালে)।
  • ইলেকট্রনর সর্বদা নিউক্লিয়াসের চারিদিকে নির্দিষ্ট পথে পরিভ্রমণ করে।
  • বিজ্ঞানী থমসন ইলেকট্রন আবিস্কার করেন1897 সালে।
  • মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ পরমানু।
  • যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ অনু।
  • ট্রানজিস্টর আবিস্কৃত হয় ১৯৪৮ সালে।
  • ইলেকট্রনিক মেইল হলো ই মেইল।
  • UHF ও VHF তরঙ্গ টেলিভিশনে ব্যবহৃত  হয়।
  • টেলিভিশনে ব্যবহৃত তরঙ্গ রেডিওর তরঙ্গের তুলনায় ছোট।
  • অন্ধকার জ্বলজ্বল করার জন্য ঘড়ির কাটায় থোরিয়ম ও জিঙ্ক সালাফাইড মিশ্রণের প্রলেপ দেয়া।
  • ভূ পৃষ্ট হতে স্যাটেলাইট যোগাযোগের জন্য VAST ব্যবহৃত হয়।
  • বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব ব্যাখ্যা করেন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিন্স।
  • ১৯৮৬ সালে চেরানোবিল পারমাবিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল।
  • টেলিভিশনে প্রতি সেকেন্ডে ৩০ টি চিত্র প্রেরণ করা হয়।
  • রেডিওতে শব্দ তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
  • সর্বাপেক্ষা ছোট তরঙ্গ  দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে গামা রশ্নি।
  • ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলটরে কালো অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা সিলিকন চিপের ভিত্তিতে।
  • রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর গামা রশ্মি বের হয়।
  • আলট্রা্সনোগ্রাফী হলো ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা  ইমেজিং।
  • টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় তড়িৎ শক্তি।
  • ট্রানজিস্টরে সেমিকন্ডাষ্টর হিসেবে ব্যাবহৃত  হয় জার্মেনিয়াম।