Warning: session_set_cookie_params(): Cannot change session cookie parameters when session is active in /home/kajkhuji/public_html/includes/theme/head.php on line 2
KajKhuji - আলোকবিজ্ঞান (Light Science)

আলোকবিজ্ঞান (Light Science)

Category: Science
Posted on: Sunday, September 17, 2017

Share:

  • আলো – এক প্রকার শক্তি।
  • আলো চোখে প্রবেশ করে – দর্শনের অনুভূতি জন্মায়।
  • রঙ্গিন টেলিভিশন হতে নির্গত হওয়া ক্ষতিকর রশ্মির নাম – গামারশ্মি।
  • রঙিন টেলিভিশন হয় – গামা রশ্মি।
  • অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয় – তথ্য পরিবহনের জন্য।
  • পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখার কারণ – আলার প্রতিসরণ।
  • মরীচিকার ঘটনা হলো – আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।
  • হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ – আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।
  • সিনেমা প্রজেক্টরে যে ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয় – অবতল।
  • তরঙ্গদর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি – লাল আলোর।
  • মৌলিক বর্ণ – ৩টি (লাল, সবুজ, নীল)।
  • তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য সব বর্ণ সৃষ্টি করা যায়, এগুলো হলো – লাল, সবুজ, নীল।

তথ্যকণিকা:

১. লাল আলোর তরঙ্গ দৈঘ্য বেশী।

২. বেগুনী আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম।

৩. বেগুনী আলোর বিচ্ছুরণ কম।

৪. লাল আলোর বিচ্ছুরণ কম।

৫. নীল কাঁচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল নীল দেখায়।

৬.লাল ফুলকে সবুজ আলোয় রাখলে কালো দেখায়।

৭. সূর্যের অতি বেগুনী রশ্নির কারণে মানবদেহে vit- D উৎপন্ন হয়।

৮. সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে বিকিরণ হচ্ছে গামা রশ্মি।

৯. সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে বিকিরণ হচ্ছে রেডিও ওয়েভ।

১০. পূর্ণ আভ্যন্তরীন প্রতিফলনের  কারণে মরীচিকা ঘটে।

১১. লাল আলোতে নীল রংয়ের ফল কালো দেখায়।

১২. আমরা প্রাত্যহিক জীবনে যে আয়না ব্যবহার করি সেটা সমতল দর্পন।

১৩. আকাশ নীল দেখায় কারণ নীল আলোর বিচ্ছুরণ অপেক্ষাকৃত বেশী।

১৪. সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয়।

১৫. পানিতে নৌকার বৈঠ্য বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ আলোর প্রতিসরণ।

১৬. পূর্ণ আভ্যন্তরীন প্রতিফনের ফলে হীরক উজ্জ্বল দেখায়।

১৭. লাল আলোতে আমাদের দর্শন ক্ষমতা প্রায় শূন্য।

বিবিধ

আলোর বিচ্ছুরণঃ সাদা রশ্মি প্রিজমের মধ্য  দিয়ে প্রতিসরণের ফলে সাতটি বর্ণের আলোকে বিভক্ত হওয় কে আলোকের  বিচ্ছুরণ বলে।

লেন্স বা কলাঃ দুইটি তল দ্বারা সীমাবদ্ধ কোন একটি স্বচ্ছ সমসত্ত মাধ্যমের তলদ্বয়ের একটি সমতল এবং অপরটি গোলকীয় বা উভয়তলই গোলকীয় হলে উক্ত মাধ্যমকে লেন্স বলে। প্রকৃতি অনুসারে লেন্স দু’প্রকার। যথাৎ অভিসারী লেন্স ও অপসারী লেন্স।

আলোক বৎসরঃ আলোকের বেগ শূণ্য মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল বা ৩ লক্ষ কিমি। আলোক ১ বছরে  যে দুরত্ব অতিক্রম করে, তাকে আলোক বৎসর বলে।

অবলোহিত রশ্মিঃ  লাল বর্ণের আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অপেক্ষা অধিক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক রশ্মি।

অতিবেগুনি রশ্মিঃ বেগুনি বর্ণের আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অপেক্ষা কম তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে আলো।

দৃষ্টি ক্রটি এবং উহাদের প্রতিকারঃ দৃষ্টির ক্রটি মোট চারটি যথা।

১. হ্রস্ব দৃষ্টিঃ কাছের বস্তু দেখতে পায়, কিন্তু দূরের বস্তু দেখতে হয় না। প্রতিকারঃ অবতল লেন্সের চশমা।

২. দীর্ঘ দৃষ্টিঃ দূরের বস্ত দেখতে পায়, কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না। প্রতিকারঃ উত্তল লেন্সের চশমা।

, আর্ধক্য দৃষ্টি বা চালশেঃ কাছের এবং দূরের কোন জিনিসই ভাল দেখতে পারে না। প্রতিকার দ্বি ফোকাল লেন্সের চশমা।

৪. বিষম দৃষ্টি বা নকুল অন্ধতাঃ একই সময়ে একই দূরত্বের বিভিন্ন তলের বস্তুকে সমানভাবে দেখতে পায় না। প্রতিকারঃ সিলিন্ডার বা কৃত্রিম লেন্সের চশমা।