Share:

১. ক্ষুদ্রতম স্তন্যপায়ী বামন চিকা।
২. সবচেয়ে ক্ষুদ্র জীব মানব ভ্রন।
৩. এমবিা শব্দের অর্থ সর্বদা পরিবর্তনশীল।এটি আবিষ্কার করেন রিসেন ভন।
৪.  ভাইরাস শব্দের অর্থ বিষ।
৫. অমর প্রাণী অ্যামিবা।
৬. ম্যালেরিয়া শব্দের অর্থ দুষিত বাতাস।
৭. অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়।
৮.  সবচেয়ে ভারী উড়ন্ত পাখী Kori Bustard
৯.  লালপিপড়াঁয় ফরমিক  এসিড থাকে।
১০. প্রাণী জগতের মোট পর্বতের সংখ্যা ১০টি।
১১. আর্থোপোডা প্রাণী জগতের সর্ববৃহৎ পর্ব।
১২. ব্যাঙাচি অবস্থায় ব্যাঙ্গের লেজ থাকে।
১৩. আমাশয়েল জীবাণু Antameoba histolytica
১৪. দক্ষিণ আমেরিকার লামুর দিনের বেশীর ভাগ সময় উল্টোভাবে অবস্থান করে।
১৫. পৃথিবীর সবচেয়ে হিংস্র প্রাণী হায়েনা।
১৬. অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে হিংস্র প্রাণী ডিংগো।
১৭. সাগরগাভী বলা হয় ডুগং কে।
১৮.একটি রানী মৌমাছি ১০০০ বার ডিম পড়ে।
১৯. পাখীর শিরা দ্বি খন্ডিত।
২০. তেলাপোকার রক্ত বর্ণহীন।
২১. ব্যাঙ্গের হৃদপিন্ডের প্রোকোষ্ঠ ৩টি।
২২.প্লাটিপ্লাস একটি স্তন্যপায়ী।
২৩. এমিবা ক্ষণপদের মাধ্যমে চলে।
২৪. মানুষের লোহিত রক্ত কিনকা নিউক্লিয়াসবিহীন।
২৫. জীবদেহের কোষ গঠনের জন্য N2 প্রায়োজন।
২৬. উড়তে না পারা পাখীদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট পাখি কিউই।
27.Emperor পেঙ্গুইন সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন। যার ওজন ৮০ পাউন্ড ও উচ্চতা ৩ ফুট থেকে সাড়ে ৩ ফুট।
২৮. মরুপ্রদশের টারন নামক পাখী বছরে একবার উত্তর থেকে দক্ষিণ যায় ২২ হাজার মাইল উড়ে। এই টারন পাখী সবচেয়ে বেশী উড়ে।
২৯. Shrew বা ছুঁচো নামক প্রাণী প্রত্যেক তিন ঘন্টায় নিজের সমান ওজনের খাবার ভক্ষণ করতে পারে। এটি সবচেয়ে ত্বরিৎ ভক্ষণকারী জীব।
৩০. হরিণ ও শিয়ালের ঘ্রাণ শক্তি সবেচেয়ে প্রখর।
৩১. বিরল প্রাজাতীর লেদার ব্যাক কচ্ছপ, কচ্ছপ প্রজাতীর মধ্যে সর্ববৃহৎ। এদেও ওজন ১টন ও দৈর্ঘ্য সাড়ে ৮ ফুট এবং এরা ১২০০মিটার গভীরে অবাধে বিচরণ করতে পারে।
৩২. মানব নয় কিন্তু মানব আকৃতির প্রাণী বিভোর।
৩৩. বিড়ালের মত আজব প্রাণী বিভোর।
৩৪. ম্যাড ক্রাব (mud crabe) এক ধরনের কাকড়া।
৩৫. শীতকালে প্রতিকুল পরিবেশে অনেক প্রাণী ঘুমিয়ে কাটায়।এ ঘুমকে (hybernation) হাইবারনেশন বলে।
৩৬. উটপাখি ও কিউই পাখির ডানা নাই।
৩৭. রাণীক্ষেত রোগের অপর নাম নিউক্যাসল।
৩৮.নীল তিমি পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাণী।
৩৯. টুনি বা টুনা মাছ ঘন্টায় ৭১কি.মি: বেগে সাঁতার কাটতে পারে।এটি সবচে দ্রুততর গতি সম্পন্ন মাছ।
৪০. সবচেয়ে দ্রতগামী পাখি সুইফট বার্ড। গতিবেগ ঘন্টায় ২০০ মাইল।
৪১. দ্রত গতির পশু চিতা বাঘ। গতিবেগ ঘন্টায় ৪৫মাইল।
৪২. সবচেয়ে ছোট পাখি হামিং বার্ড।
৪৩. মানুষ ও পাখির মধ্যে পাখির রক্ত বেশি গরম।
৪৪. ক্যান্সার রোগ সৃষ্টির সহায়ক পদার্থ কারসিনোজেন।
৪৫. রক্তের ক্ষতিকর জীবানু বা পদার্থ কারসিনোজেন।
৪৬.পাকস্থলিতে হজমে ব্যাবহৃত হয় এমাইনো এসিড।
৪৭. রক্ত এক প্রকার তরল যোজক কলা।
৪৮. পৃথিবীর সবচেয়ে j¤^v ও ভারী সাপ এনাকোন্ডা।
৪৯. গুটি পোকার রেশমের তন্তু  আবৃত দেহ খোলককে কোকুন বলে।
৫০. উডুক্ক মাছ উড়তে পারে। বক্ষ পাখনার কারণে এটি পানি থেকে লাফিয়ে অনেকক্ষন উপেও থাকতে পারে,  এটি আমাজান নদীতে পাওয়া যায়।
৫২. গিনিপিগের লালা ক্ষারীয়।
৫৩. মৌমাছির পা ৬-টি ও মাকড়সার পা  ৮টি।
৫৪. চট্রগ্রামের চিরসবুজের বনে উড়ন্ত টিকটিকি পাওয়া যায়।
55.Fire-flies, Fairy lamps, Flow worm  ইত্যাদি জোনাকি পোকার ইংরেজী নাম।
৫৬. আরশোলা উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন প্রাণী।
৫৭. গিনিপিগের হৃদপিন্ড মিনিটে সর্বোচ্চ ১৬০বার স্পন্দিত হয়।
৫৮. এনথ্রাক্স জীবানুর আক্রমণে গুরুর  তড়কা রোগ হয়।
৫৯. কেঁচো শ্বাস চালায় ত্বকের সহায্যে।
৬০. শীতল রক্তের প্রাণী ব্যাঙ ও সাপ।
৬১. বাদুর রাত চলাফেরা কের আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে।
৬২. পেচাঁ দিনে দেখে না।
৬৩. পীতজ্বর ও ডেঙ্গু  জ্বর এর জীবাণু বহনকারী মশা স্ত্রী এডিস মশা।
৬৪. বায়োলজি ও ইলেকট্রনিক্ম এর mš^q গঠিত বায়োনিক্স।
৬৫. পূর্নাঙ্গ ব্যাক্তির ফুসফুসে বায়ু ধারণ ক্ষমতা ৬লিটার।
৬৬. মানুষ প্রতিদিন ১-১.৫ লিটার মুত্র নি:সৃত করে।
৬৭. সুস্থ মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের মোট বায়ুর পরিমাণকে বলে টাইডাল ভল্যুউম।
৬৮. সালোকসংশ্লেষণ ক্ষম প্রাণী ইউগ্লোনা।
৬৯. কুকুরের ঘাম নিসৃত হয় জিহ্‌বা দিয়ে।
৭০. ডেভিল মাছ অক্টোপাস।
৭১.মরুভুমির প্রণীদের দৃষ্টি শক্তি রাতে বেশী।
৭২. টিউমার সংক্রান্ত চর্চাকে বলে অঙ্কোলজি।
৭৩. কাক ঋডুদার পাখী।
৭৪.  রেডিওকার্বন ডেটিং পদ্ধতিতে জীবাশ্মের বয়স নির্ণয় করা হয়
৭৫. রেটিনার কোন কোষের অকার্যকরতার জন বর্ণান্ধ রোগ হয়।
৭৬.দেহের সর্ববহৎ গ্রন্থি যকৃত। ওজন ১.৫কি.গ্রাম।
৭৭. কার্বহাইড্রেট প্রোটিন ফ্যাট=৪.১:১।
৭৮. মানুষের প্রতি ১০০ মি:লি: রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক পরিমাণ ১৪.৫মি:লি।
৭৯. পূর্ণ বয়স্ক মানুষের হৃদপিণ্ডের ওজন ৩০০ গ্রাম।
৮০. ফুসফুসের মোট বায়ুসাধারণ ক্ষমতা ৬০০০মি:লি।
৮১. মানুষ খেকো মাছ পিরানহা।