শব্দ ও তরঙ্গ (Sound and Wave)

Category: Science
Posted on: Sunday, September 17, 2017

Share:

১. শব্দের গতি সবচেয়ে কম যে মাধ্যমে – শূন্য মাধ্যমে।
২. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা যায় – প্রতিধ্বনি সাহায্যে।
৩. বাদুড় অন্ধকারে চলাফেরা করে – সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে।
৪. ছোট তরঙ্গদর্ঘ্যরে শব্দের দ্বারা ইমেজিং হলো – আলট্রাসনোগ্রাফি।
৫. সর্বোচ্চ যে শ্রুতিসীমার ওপরে মানুষ বধির হতে পারে – ১০৫ ডিবি।
৬. শব্দের দ্রুতি বাড়ে – তাপ বৃদ্ধির সাথে সাথে।
৭. শব্দের বেগ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে – তরঙ্গের আকারে।
৮. শব্দের প্রতিফলনের বান্ত ব উদাহরণ – প্রতিধ্বনি।
৯. বৈদ্যুতিক ঘণ্টার বিদ্যুৎ শক্তি রূপান্তরিত হয় – শব্দ শক্তিতে।
১০. আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর কিছু পর শব্দ শোনা যায়, কারণ – শব্দের চাইতে আলোর গতি বেশি বলে।
১১. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বাতাসে শব্দের বেগ – বৃদ্ধি পায়।
১২. তাপমাত্রা বাড়ালে মাধ্যমে ঘনত্ব কমে যায়, ফলে শব্দের বেগ – বাড়ে।
১৩. তাপমাত্রা কমলে ঘনত্ব বাড়ে এবং শব্দের বেগ – কমে।
১৪. শব্দ সঞ্চালিত হয় না – ভ্যাকিউয়াম বা শূন্য মাধ্যম।
১৫. কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা বেশি – ১২ গুণ।
১৬. বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি – বাড়ে।
১৭. আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ – কম।
১৮. শব্দ বায়ু মাধ্যমে দ্রুত চলে – বর্ষাকালে।
১৯. চাঁদে কোন বিস্ফোরণ ঘটানো হলে তার শব্দ পৃথিবীতে – শোনা যাবে না।
২০. শব্দ অধিক দ্রুতগতিতে চলে – ইস্পাতে।
২১. শব্দের আধিক্য আমাদের দেহ ও মনের উপর যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাকে বলা হয় – শব্দ দূষণ।
২২. প্রতিফলনে যে শব্দ শোনা যায় তাই – প্রতিধ্বনি।
২৩. সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপে ব্যবহার করা হয় – ফ্যাদোমিটার।
২৪. অন্ধকারে চলাফেলা করতে পারদর্শী – বাদুড়।
২৫. বাদুড় রাতের বেলা চলাফেলার সময় দিক নির্ণয় করে – আলট্রাসোনিক শব্দের মাধ্যমে।
২৬. শ্রাব্যতার সীমা সর্বাধিক – বাদুড়ের।
২৭. আলট্রাসনিক শব্দ বলতে বুঝায় – যে শব্দ মানুষ সাধারণভাবে শুনতে পায় না।
২৮. আলট্রাসনোগ্রাফি হলো – ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে শব্দের দ্বারা ইমেজিং।
২৯. শব্দের চেয়ে দ্রুতগতিতে চলমান বিমানকে বলে – সুপারসনিক বিমান।
৩০. শব্দোত্তর তরঙ্গ উৎপত্তি হয় – কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল অসিলেটরের মাধ্যমে।
৩১. শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র – অডিওমিটার।
৩২. তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম – রঞ্জন রশ্মির।