Warning: session_set_cookie_params(): Cannot change session cookie parameters when session is active in /home/kajkhuji/public_html/includes/theme/head.php on line 2
KajKhuji - তরঙ্গ ও শব্দ বিস্তারিত

তরঙ্গ ও শব্দ বিস্তারিত

Category: Science
Posted on: Sunday, September 17, 2017

Share:

তরঙ্গ: কোন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যমের বিভিন্ন কণার সমষ্টিগত পর্যায়বৃত্ত কম্পনের ফলে মাধ্যমে যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়, তাকে তরঙ্গ বলে।
তরঙ্গ দুই প্রকার। যথা-
ক) লম্বিক বা অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
খ) আড় বা অনুপ্রস্থ তরঙ্গ

কম্পাঙ্ক: কোন একটি কম্পমান বস্তু বা কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে, তাকে তার কম্পাঙ্ক বলে।কম্পাঙ্কের একক হার্টজ(Hz)।
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, তরঙ্গ বেগ, কম্পাঙ্কের সম্পর্ক: তরঙ্গ বেগ = তরঙ্গ দৈর্ঘ্য x কম্পাঙ্ক

শব্দ: শব্দ হল শক্তির একটি বিশেষ তরঙ্গ রূপ যা আমাদের কানে শ্রবণের অনুভূতি জাগায়।
শব্দ এক ধরনের অনুদর্ঘ্য তরঙ্গ। মানবদেহে স্বরযন্ত্রে শব্দ উৎপন্ন হয়। শব্দের সঞ্চারণের জড় মাধ্যম জন্য আবশ্যক।

চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই কোন শব্দ করলে তা শোনা যায় না। কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম।
বায়ুতে শব্দের গতিবেগ ঘন্টায় ৭৪৭ মাইল বা ১১৯৫ কি. মি.।

শব্দের প্রতিধ্বনির মাধ্যমে সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা হয়।

শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব নূন্যতম ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।

আমাদের মস্তিষ্কে শব্দের স্খায়িত্ব কাল ০.১ সেকেন্ড ।

শ্রাব্যতার পাল্লা: শব্দের কম্পাঙ্ক ২০Hz থেকে ২০,০০০Hz এর মধ্যে সীমিত থাকলেই কেবল আমরা সেই শব্দ শুনতে পাই। একে শ্রাব্যতার পাল্লা বলে।

শব্দোত্তর বা আলট্রাসনিক তরঙ্গ: যে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০,০০০Hz এর চেয়ে বেশি তাকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে।

শব্দোতর বা ইনফ্রাসনিক তরঙ্গ: যে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০ Hz এর চেয়ে কম তাকে শব্দেতর তরঙ্গ বলে।

কুকুরের শ্রাব্যতার উর্ধ্ব সীমা প্রায় ৩৫,০০০ Hz । বাদুরের শ্রাব্যতার উর্ধ্ব সীমা প্রায় ১,০০,০০০ Hz।

ডপলার ক্রিয়া: শব্দের উৎস ও শ্রোতার মধ্য আপেক্ষিক গতি বিদ্যমান থাকলে শ্রোতার নিকট উৎস হতে নিঃসৃত শব্দের Zx²Zv বা কম্পাঙ্কের যে আপাত পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়, তাকে ডপলার ক্রিয়া বা প্রভাব বলে।

শব্দের তীব্রতা ডেসিবল দ্বারা মাপা হয়।

তরঙ্গঃ যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোন জড় মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হয়ে এক স্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না তাকে তরঙ্গ বলে।

কম্পঙ্কঃ তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণা এক সেকেন্ড যতগুলো পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে তাকে কম্পঙ্ক বলে।

বিস্তারঃ তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণঅ সামন্সস্থান থেকে যে কোন একদিনে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ বিস্তার বলে।

তরঙ্গ দৈর্ঘ্যঃ তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার যে কোন একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন হতে যে সময়ে লাগে,সেই সময়ে তরঙ্গ যে দুরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে।

শব্দ বিজ্ঞান তথ্যকণিকা।

১. স্বাভাবিক অবস্থায় বাতাসে শব্দের দ্রুতি ৩৩২ মি/সে।

২. স্বাভাবিক অবস্থায় পানিতে শব্দের দ্রুতি ১৪৫০ মি/সে।

৩. শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শুন্য।

৪. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।

৫. আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।

৬. শব্দ প্রবাহের দিকে বায়ুপ্রবাহ থাকলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।

৭. প্রতিধ্বনি শোনার জন্য ন্যূনতম সময়০.১সেকেন্ড।

৮. প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ মিটার।

৯. কুকুরের শ্রাব্যতার উধ্বসীমা প্রায় ৩৫,০০০ Hz।

১০. বাদুরের শ্রাব্যতার উধ্বসীমা প্রায় ১,০০,০০০ Hz

১১. পথ চলার জন্য বাদুর শব্দেত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে।

১২. অনুনাদের কারণে ঝূলন্ত ব্রিজে সৈন্যদের মার্চ করতে দেয়া হয় না।

১৩. ১০৫ ডেসিবলের উপর সৃষ্ট শব্দ মানুষের কর্ণকুহরে প্রবেশ করলে মানুষের বধিরতা হতে পারে।