Warning: session_set_cookie_params(): Cannot change session cookie parameters when session is active in /home/kajkhuji/public_html/includes/theme/head.php on line 2
KajKhuji - সুশাসন সম্পর্কিত বিবিধ তথ্যাবলী

Share:

  • সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ : এড়ড়ফ এড়াবৎহধহপব।
  • সুশাসনের ধারণার উদ্ভাবক : বিশ্বব্যাংক।
  • সুশাসনের ধারণা উদ্ভাবিত হয় : ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে।
  • সুশাসনের অর্থ : নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
  • সুশাসনের ধারণা হল : বহুমাত্রিক।
  • বর্তমান সময়ের প্রায় সব রাষ্ট্রই : কল্যাণকর রাষ্ট্র।
  • সুশাসন কখনো ঘটে না : আকস্মিকভাবে।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার সমস্যা : ২২টি।
  • আমলাদের নিজেদের মৌলিক শর্ত : তিনটি।
  • দেশে অরাজকতা দেখা যায় : সরকারের অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনা ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে।
  • আইনের শাসনের জন্য প্রয়োজন : ন্যায়পরায়ণ আচরণ, নিপীড়নমুক্ত স্বাধীন পরিবেশ ও নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ।
  • যথার্থ নীতি প্রণয়নে সরকারের দক্ষতা, সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা শক্ত হাতে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, সমান সেবা বিতরণ, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তৎপর হওয়া, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করা হল : দক্ষ সরকারের বৈশিষ্ট্য।
  • সুশাসনের বড় অন্তরায় : দুর্নীতি।
  • রাষ্ট্রের প্রাণশক্তিতে নিঃশেষ করছে : দুর্নীতির রাহুগ্রাস।
  • সম্পদের অপচয় হয়, বণ্টনে অসমতা সৃষ্টি এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে : দুর্নীতির কারণে।
  • রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে : দুর্নীতি।
  • উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের অধিকাংশ দলে নেই : গণতান্ত্রিক চর্চা।
  • অধস্তন নেতারা মেনে নিতে বাধ্য : নেতাদের কথা।
  • উন্নয়নশীল দেশের রাজনৈতিক রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য : ব্যক্তিপূজা।
  • নেতারা হন : স্বেচ্ছাচারী মনোভাবের।
  • রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ দেখা দেয় : এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকায়।
  • গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে ফেলা হয় : সামরিক শাসনে।
  • নিয়োগ, বদলি, পদায়ন, সুযোগ-সুবিধা বণ্টন, স্থান, পদবি, খেতাব প্রদানে দেখা যায় : স্বজনপ্রীতি।
  • স্বজনপ্রীতির আশ্রয় গ্রহণ করে সরকার বা গোষ্ঠী।
  • দক্ষ, যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিদের সেবা থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয় : স্বজনপ্রীতির কারণে।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সহায়ক : স্বাধীন বিচার বিভাগ।
  • বিচার বিভাগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি পায় : স্বাধীন বিচার বিভাগ না থাকলে।
  • আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার সুযোগ বিনষ্ট হয় : বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অভাবে।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার সুযোগ বিনষ্ট হয় : বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অভাবে।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার শেষ সুযোগও হাতছাড়া হয় : বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অভাবে।
  • প্রশাসনে জনগণের অংশগ্রহণ বা মতামত প্রদানের সুযোগের অভাব, জনগণের সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষের সম্পর্কের অভাব গণমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার অভাব, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী ও কার্যকর না করার কারণে সংকীর্ণ হয় : সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ।
  • সংসদীয় গণতন্ত্রে অপরিসীম গুরুত্ব : আইনসভার।
  • দেশের প্রশাসনিক কাজ কর্ম পরিচালিত হয় : আইনসভা প্রণীত আইনের আলোকে।
  • জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি : আইনসভার সদস্যগণ।
  • জাতীয় সংসদ অকার্যকর হওয়ার কারণ : সংসদ সদস্যদের সংসদ বর্জন।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা : দারিদ্র্য।
  • দারিদ্র ও অশিক্ষিত জনগণের মধ্যে দেখা যায় : সচেতনতার অভাব।
  • দরিদ্র ও অসচেতন জন গণ সুশাসন প্রতিষ্ঠার উপায় সম্পর্কে : অজ্ঞ ও উদাসীন।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম শর্ত : শক্তিশালী, দক্ষ ও কার্যকর স্থানীয় সরকার।
  • রাজনীতিতে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয় ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে : কার্যকর স্থানীয় সরকার দ্বারা।
  • সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোতে স্থানীয় সরকার কাঠামো : খুবই দুর্বল ও অকার্যকর।
  • গণতন্ত্রের সফলতার মূল শক্তি : জনগণের সচেতনতা।
  • নাগরিক অধিকারের সর্বশ্রেষ্ঠ রক্ষাকবচ : জনগণের সজাগ দৃষ্টি।
  • সুশাসনের চাবিকাঠি : সচেতনতা।
  • সরকার প্রশাসন যন্ত্র স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে। : জনগণ সচেতনতা না হলে।
  • এক বিভাগ কর্তৃক অন্য বিভাগের ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে রক্ষা করা যায় : ক্ষমতার ভারসাম্য।
  • ক্ষমতার ভারসাম্য নীতি প্রকৃত কার্যকর : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে।
  • সুশাসনের জন্য প্রয়োজন : স্বাধীন ও শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম।
  • মানবাধিকার রক্ষা করা, মৌলিক অধিকার উপভোগের অনুকূল পরিবেশ রক্ষা, জবাবদিহিতা কার্যকর, করা প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম ছাড়া।
  • গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় : সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছাড়া।
  • জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত হয় : অসাম্প্রদায়িক চেতনার অভাবে।
  • মানুষ সরকার ও রাষ্ট্র প্রণীত আইন মেনে চলে : শুধু শাস্তির ভয়ে।
  • মানুষ রাষ্ট্র ও সরকারকে মেনে চলে : বিবেকবোধ, প্রজ্ঞা, উচিত- অনুচিত, ভাল-মন্দ বিচার করে।
  • সরকার ও সরকারের প্রশাসন যন্ত্রের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুকুমার বৃত্তি পরিশীলিত করে : নৈতিক মূল্যবোধ।
  • আইনের শাসনের প্রাণ তোমার নির্ভর করে : তিনটি প্রবৃত্তির উপর।
  • আইনের শাসনের প্রাণভোমরা প্রবৃত্তিগুলো হল : শাসকের ন্যায়পরায়ণ, আচরণ, নিপীড়নমুক্ত স্বাধীন পরিবেশ ও আইনের শাসনের উপর্যুক্ত পরিবেশ।
  • আইন কার্যকর করবে : আদালত।
  • আইনসভায় বসে যুক্তি-তর্ক পেশ ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে হবে : রাষ্ট্রের সকল সমস্যার।
  • মানবাধিকার লঙ্ঘন যেন না হয় কারো উপর যেন জুলুম নির্যাতন না করা হয় সরকার যেন অন্যায়-নির্যাতন না করতে পারে এসব দেখা : মানবাধিকার কমিশনের কাজ।
  • লক্ষ্য নির্ধারণ এবং অগ্রাধিকার বিবেচনায় পারঙ্গম ও দূরদর্শী হতে হবে : সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য।
  • নাগরিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকারগুলো অর্থহীন হয়ে পড়ে : অর্থনৈতিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকলে।
  • কোন ব্যক্তি সভ্য ও সুন্দর জীবন যাপন করতে পারে না : চিন্তা, মত ও বক্তব্য প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকলে।
  • প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণ হবে : দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না : সরকার পক্ষ ও কার্যকর প্রশাসন গড়তে ব্যর্থ হলে।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠা ব্যাহত করে : উচ্চাভিলাষী ও ভুল সিদ্ধান্ত।
  • সরকারের কাজ এবং গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত স্পষ্ট ও স্বচ্ছ হলে বৃদ্ধি পাবে জন অংশগ্রহণ।
  • আইন হবে : সময়োপযোগী।
  • সকল নাগরিকের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য : রাষ্ট্রের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য।
  • রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থের জন্য বিসর্জন দিতে হয় : ক্ষুদ্রস্বার্থ।
  • নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য : রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা।
  • রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষা ও উন্নততর সমাজজীবন প্রতিষ্ঠার জন্য তৈরি হয় : আইন।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে : সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে।
  • রাষ্ট্রীয় কাজ সুসম্পন্ন হয় : কর দিয়ে।
  • নাগরিক ও মানবিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটে না : শিক্ষা ব্যতীত।
  • নাগরিককে দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সচেতন করে : শিক্ষা।
  • রাষ্ট্র : জনগণের জন্য।
  • রাষ্ট্রের সকল সম্পদই যার সম্পদ : জনগণের।
  • রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয় : আইন-শৃঙ্খলা দুর্বল/ভেঙ্গে পড়লে।
  • রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন : সংবিধান।
  • সততা ও সতর্কতার সাথে ভোট প্রদান ও প্রার্থী বাছাই, স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজে অংশগ্রহণ সম্ভব হয় না : সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে।
  • স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রয়োজন : দুর্নীতি দমনের জন্য।
  • আইনের শাসন না থাকলে বাধাগ্রস্ত হয় : সুশাসন।
  • সুশাসনের একটি সমস্যা : জবাবদিহিতার অভাব।
  • নীতি প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতার অভাবে হয় : সরকারের অকার্যকারিতা।
  • সুশাসনের অন্যতম অন্তরায় : রাজনৈতিক ব্যবস্থার অভাব।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে অন্যতম বাধা : স্বজনপ্রীতি।
  • নিয়োগ, বদলি, পদায়ন বা অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে স্বজনদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হল : স্বজনপ্রীতি।
  • রাষ্ট্রের মৌলিক উপাদান : ৪টি।
  • সরকারের কাজ : দেশ পরিচালনা বা শাসন করা।
  • সুশাসন প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় : সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে ধারণাগত পরিবর্তন বোঝাতে।
  • শাসনের প্রধান উপাদান : ৩টি।
  • প্রক্রিয়া, বিষয়বস্তু, সম্পদ ও সেবা বিতরণ হচ্ছে : শাসনের প্রধান তিন উপাদান।
  • সুশাসন নিশ্চিত করার বড় উপায় : গণতন্ত্র।
  • সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি : আইনের শাসন।
  • রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকার সংরক্ষণ হল : আইনের শাসন।
  • জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ : আইনের শাসন।
  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জরুরি নিরপেক্ষ, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
  • জাতির কান্ডারী হলেন : একজন দক্ষ নেতা।
  • উন্নয়নশীল দেশের জন্য মডেল : মালয়েশিয়ার নেতা মাহাথির বিন মুহম্মদ।
  • অভিশাপ হিসেবে দেখা হয় : দুর্নীতিকে।
  • ন্যায়পরায়ণতা, আইনের শাসন সুদূরপরাহত বিষয়ে পরিণত হয় যদি : রাষ্ট্র ব্যবস্থায় দুর্নীতি প্রবেশ করে।
  • সুশাসনের সাথে সরাসরি বাধা হিসেবে কাজ করে : দুর্নীতি।
  • সামাজিক বৈষম্য এবং ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করে : দুর্নীতি।
  • দেশকে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয় : সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম।
  • স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হল : সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত।
  • জনপ্রশাসনে স্বজনপ্রীতি ও রাজনীতিকরণের ফলে সম্ভব হয় না : সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
  • রাষ্ট্রের পঞ্চম স্তম্ভ বলা হয় : গণমাধ্যমকে।
  • অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয় : সুশাসন।
  • যেটি ছাড়া কখনোই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না : আইনের শাসন।
  • রুয়ান্ডা, কোস্টারিকা এবং কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গৃহযুদ্ধের সূচনার কারণ : রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা।
  • বাংলাদেশের মত দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে বাঁধা : আমলাতান্ত্রিক জটিলতা।
  • যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে উঠতে পারে না : রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে।
  • দেশকে অন্ধকারের অতল গহ্বরে নিয়ে যায় : নেতৃত্বের সংকট।
  • একটি দেশের সুশাসন অনেকাংশে নির্ভর করে : দেশের জনগণ সুশাসনের জন্য কতটুকু প্রস্তুত এর উপর।
  • জনগণের সচেতনতা, বিচক্ষণতা, এবং সদিচ্ছার উপর নির্ভর করে : শাসক কেমন হবেন।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন : সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা।
  • দেশের শাসন ব্যবস্থার মূল নিয়ন্ত্রণকারী : আইনসভা।
  • দেশ পরিচালিত হয় আইনসভা প্রণীত আইন, বিধিবিধান ও নীতি অনুযায়ী।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য করতে হবে – ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ।
  • গণতান্ত্রিক অধিকার কোন অর্থ বহন করে না : নিরক্ষর লোকদের কাছে।
  • নৈতিকতার মানকে আদর্শ করে : উপর্যুক্ত শিক্ষা।
  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব ন্যস্ত : সরকারের উপর।
  • সুশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত : কার্যকরী গণতন্ত্র।
  • অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হল : গণতন্ত্রের প্রাণ।
  • একটি দেশের চালিকাশক্তি হল : শাসন ব্যবস্থা।
  • দেশের উন্নয়নে প্রতিটি স্তরের জন্য সুশাসন আবশ্যক : IMF এর অভিমত।
  • সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন করা : জাতিসংঘের মত।
  • সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল : মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন সাধন।
  • সুশাসনের অন্তঃসার হল : গণতন্ত্র।
  • সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে : এটা যার মত : UNDP।
  • সুশাসনের মূল রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য : অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি।
  • অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিকে সুশাসনের মূল রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
  • স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় অর্থ সর্বোচ্চ জনকল্যাণে ব্যয় হবে এটি হল : সুশাসনের আর্থিক নীতি।
  • সুশাসন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়ন করে সম্পদের ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টনের দ্বারা।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয় : আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।
  • জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রশাসনের মাধ্যমে : সুশাসন দ্বারা সমস্যা সমাধান সম্ভব।
  • যে সমস্ত দেশে সুশাসন আছে কেবল সে সমস্ত দেশেই ঋণ মওকুফ করা হবে জাতিসংঘের উপদেষ্টা ইব্রাহিম গানবারি।
  • পৃথিবীর অন্যতম দারিদ্র্যতম অঞ্চল : সাব সাহারা।
  • দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ : দারিদ্র্য বিমোচন কৌশল নির্ধারণ।
  • আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হল : সামাজিক ক্ষেত্রে সুশাসন।
  • স্থিতিশীল, ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে : সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে।
  • দুর্নীতি রোধ ও দারিদ্র্য বিমোচন হল : অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
  • রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসনে আবশ্যক : মিশেল ক্যামডোসাস।
  • সুশাসন কার্যকর হলে বিকাশ ঘটে : প্রতিষ্ঠানের।
  • সুশাসন কার্যকর হলে বিকাশ ঘটে প্রতিষ্ঠানের যার অভিব্যক্তি : নব্যপ্রতিষ্ঠানবাদী তাত্ত্বিকদের।
  • নাগরিকদের সাধারণ ইচ্ছার প্রতিফল ঘটে : গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায়।
  • নামমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যকর থাকলে জন্ম হবে : স্বেচ্ছাচারিতার।
  • নাগরিকগণ আশা-আকাঙ্খা প্রকাশ ও অধিকার ভোগ করতে পারবে : সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে।
  • দুর্বল অবকাঠামো ও দুর্বল জবাবদিহিতা হল : গতানুগতিক আমলাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য।
  • স্থানীয় সমস্যার মোকাবেলা ও সুশাসনের পথ সুগম হয় : স্বশাসিত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান থেকে।
  • সুশাসনের মূল্য লক্ষ্য : জবাবদিহিতা।
  • রাজনৈতিক অস্থিরতা : সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায়।
  • দুর্নীতি রোধ করতে সুশাসনের জন্য স্বচ্ছতা প্রয়োজন।
  • দুর্নীতি বৃদ্ধি, উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত ও সমাজে অগ্রজদের দাপট বেড়ে যায় : দুর্নীতির বিচার না হলে।
  • রাষ্ট্র এবং জনগণের বাধাগ্রস্ত ও সমাজে অগ্রজদের দাপট বেড়ে যায় : দুর্নীতির বিচার না হলে।
  • রাষ্ট্র এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্কের নির্দেশক : সুশাসন।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠা অত্যাবশ্যক : সামাজিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য।
  • দুর্নীতি, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও অদক্ষ নেতৃত্ব হল : সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রতিবন্ধকতা।
  • যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, রাজনৈতিক জবাবদিহিতা ও আমলাতান্ত্রিক জবাবদিহিতা হল : সুশাসন প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
  • বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রধান প্রতিবন্ধকতা : দুর্নীতি।
  • সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হয় : দুর্নীতির কারণে।
  • গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয় : সুশাসন।
  • সুশাসনের একটি সমস্যা : নেতার অভাব।
  • আইনের শাসন হল : সুশাসনের বৈশিষ্ট্য।
  • স্বৈরাচারের উৎপত্তি ঘটায় : সুশাসনের অনুপস্থিতি।
  • অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থা হল : সুশাসন।
  • জনগণ, রাষ্ট্র প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় : সুশাসন।
  • সুশাসনের সমস্যা হল : কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা চর্চা।
  • কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত : সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন : সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং পরমত সহিষ্ণুতা।
  • বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য শাসন ব্যবস্থা : গণতন্ত্র।
  • গণতন্ত্রকে সর্বাধিক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য করে : সুশাসন।
  • জনপ্রশাসনের একটি নব্য সংস্কৃতি : সুশাসন।
  • সমাজের ব্যাপক সম্মতির উপর নির্ভরশীল : সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি।
  • জনগণের মৌলিক অধিকার ও বাক-স্বাধীনতা রক্ষা পায় না : সুশাসন ছাড়া।
  • জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় : সুশাসনের বিকাশ ঘটলে।
  • সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি : আইনের অনুশাসন।
  • আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিরপেক্ষতা নির্ভর করে : সুশাসন প্রতিষ্ঠার উপর।
  • অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশে সুশাসনের অন্তরায় : রাজনৈতিক অস্থিরতা।
  • উন্নয়নশীল দেশে আমলারা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বাইরে থাকেন : রাজনৈতিক দুর্বলতার কারণে।
  • সুশাসনের পথে সরাসরি বাধা : দুর্নীতি।
  • দুর্নীতি, নোংরা রাজনীতি এবং সংকীর্ণ স্বার্থ ও সামাজিক সমস্যা জন্ম দেয় : সন্ত্রাসবাদ।
  • জনমতের ভিত্তিতে পরিচালিত শাসন : গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মূলকথা।
  • সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে না : আহত গণতন্ত্র।
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত নয় : বিচারকদের দুর্নীতি।
  • বিচার বিভাগের উপর অনাকাঙ্খিত হস্তক্ষেপ হল : সুশাসনের বড় সমস্যা।
  • উন্নয়নশীল ও অনুন্নত রাষ্ট্রে বিদ্যমান : অদক্ষ আমলাতন্ত্র।
  • ‘লাল ফিতার দৌরাত্মে’র সমার্থক : গতানুগতিক আমলাতন্ত্র।
  • পলিটিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক রিস্ক কনসালটেন্সি : হংকং ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।
  • ক্ষমতা মানুষকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে, চরম ক্ষমতা চরমভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত করে : বার্ট্রান্ড রাসেল।
  • গণতান্ত্রিক বোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন : মানসম্মত শিক্ষা।
  • নিশ্চিত গণতান্ত্রিক অধিকারে জনগণ কাজ করে : পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরিসীম : আইনের শাসন।
  • সুশাসন অলীক বস্তুতে পরিণত হয় : মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে।
  • রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণ : অর্থনৈতিক অসমতা।
  • গণতান্ত্রিক চর্চা, মূল্যবোধের বিকাশ, উপর্যুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা বলিষ্ঠ নেতৃত্ব অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রয়োজন : সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য।
  • সুশাসনের ভিত্তি দৃঢ় করতে পারে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ নেতা।
  • জটিল সমস্যাকে সহজ করে দেয় : জনগণের সাথে সরকারের ভাল সম্পর্ক।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা কঠিন জনগণের সাথে সরকারের দূরত্বের কারণে।
  • জনগণ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় : রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে দুর্নীতির কারণে।
  • দুর্নীতি দমনে সরকারের করণীয় : দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন।
  • বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে হবে : স্বচ্ছ।
  • বিচারকদের বেতন ভাতা হওয়া উচিত : সামাজিক মর্যাদা অনুযায়ী।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দরকার : স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংবাদমাধ্যম।
  • দেশের সার্বিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজন : নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতার বণ্টন।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজন : আইনসভার সমাজের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব।
  • দুর্নীতি প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করতে পারে : ই-গভর্নেন্স।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা চালাতে হবে : সরকার ও জনগণকে।
  • আমলারা জনসেবক হয়েও প্রভুর মত আচরণ করেন : জনঅসচেতনতার কারণে।
  • সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার প্রয়োজন : ধর্মীয় সহিষ্ণুতা।
  • দেশে শিক্ষা বিস্তারের জন্য প্রয়োজন : জনগণের সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি।
  • একটি দেশের চালিকাশক্তি : শাসন ব্যবস্থা।
  • গণতন্ত্রের প্রাণ : পরমত সহিষ্ণুতা।
  • প্রশাসন স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে ও সুশাসন ব্যাহত হয় : প্রশাসনের জবাবদিহিতা না থাকায়।
  • বিচার বিভাগকে পৃথক রাখতে হবে : আইন, শাসন ও নির্বাহী বিভাগ থেকে।
  • সুশাসন নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা।
  • সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে বিবেচনায় রাখতে হবে : দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ।
  • স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তা ভাবনা : সুশাসনের বাধা।
  • সুশাসন কাজ করে : সামাজিক মমতা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক অধিকার রক্ষায়।
  • সুশাসন উপকার করে : নিঃস্ব-জনগোষ্ঠী, সামাজিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী ও এলিট জনগোষ্ঠীর।
  • পরিবর্তন প্রতিরোধের মানসিকতা দেখা যায় : আমলাদের মধ্যে।
  • ই-গভর্নেন্স নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণ।
  • সুশাসন সহজ হবে : নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে।
  • কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত : সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
  • নিয়মিত কর প্রদান ও রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করা হয় : নাগরিকদের কর্তব্য।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে প্রতিষ্ঠিত হবে : স্থিতিশীল ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ।
  • অর্থিনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হল : দুর্নীতিরোধ, দারিদ্র্যে বিমোচন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ।
  • নাগরিকের সাধারণ ইচ্ছার প্রতিফল ঘটে : গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায়।
  • কৌটিল্যের মতে সুশাসন : আইনের শাসন।
  • সুশাসন সহজ হবে : নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে।
  • বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান প্রতিবন্ধকতা : দুর্নীতি।
  • সুশাসন কার্যকর রয়েছে : আফ্রিকার উগান্ডায়।
  • কোন প্রতিষ্ঠানের সফলতা নির্ভর করে : ফলপ্রসূ শাসনকার্যের উপর।
  • প্রশাসনের দক্ষতা নির্ভর করে আমলার দক্ষতার উপর।
  • বর্তমান সময়ের গণতন্ত্র : প্রতিনিধিত্বমূলক।
  • দারিদ্রের ক্ষেত্রে সম্মুখীন হতে হয় যে সমস্যার : দুর্ভিক্ষ অনাহার ও পুষ্টি।
  • ন্যায়পাল পদ্ধতি, নির্বাচন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : সুশাসন প্রতিষ্ঠায়।
  • দুর্নীতির অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে : কারো সম্পত্তি দখল ও জন-অধিকার ভোগে বিঘ্ন সৃষ্টি।
  • নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত ও আচরণগত উৎকর্ষতা : শুদ্ধাচার।
  • শুদ্ধাচার অর্থ : চরিত্রনিষ্ঠা।
  • কৌটিল্যের মতে সুশাসনের উপাদান : ৪টি।
  • বিশ্ব ব্যাংক চিহ্নিত সুশাসনের সূচক : ৬টি।
  • গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ মানে : জনগণের হিসাব নিকাশ বুঝিয়ে দেয়া।
  • গণতন্ত্রের মূল লক্ষ্য হল : জনগণের চোখ দিয়ে রাষ্ট্রকে দেখা।
  • গণতন্ত্র অধিক কার্যকর হয় : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করলে।
  • জবাবদিহিতা গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায় : ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে।
  • স্বচ্ছ শব্দের আভিধানিক অর্থ : নির্ভুলতা।
  • স্বচ্ছতা থাকা আবশ্যক : ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ পর্যায়ে।
  • আইনের শাসনের অর্থ আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান।
  • তথ্য পাওয়ার অধিকার : মৌলিক অধিকার।
  • বিরোধী দল ও ক্ষমতাসীনদের সুসম্পর্কের ফলে বিকশিত হয় : গণতান্ত্রিক ধারা।
  • রাষ্ট্রের সম্পদ সচেতন জনগণ।
  • জবাবদিহিমূলক জন প্রশাসন জনগণের জন্য : পক্ষস্বরূপ।
  • গণতন্ত্রের প্রাণ : নির্বাচন।
  • স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব গড়ে ওঠে : তিন ধরনের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।
  • সুশাসনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে, : কর্তব্য, অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে।
  • নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায় : শিক্ষার হার মানের মাধ্যমে।
  • সমাজ ও রাষ্ট্রে নারী নির্যাতন, যৌন হয়রানি ও ছিনতাই কমে যাবে : শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠিত হলে।
  • মানবেতর জীবন যাপন ও সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধিতে সাহায্যে করে : দারিদ্র্য।
  • গণতন্ত্র একাধারে : রাজনৈতিক আদর্শ ও প্রতিষ্ঠান।
  • সুশিক্ষা, সচেতনতা ও উন্নয়ন বৈষম্যের কারণে বিস্তার ঘটে : উগ্রবাদের।
  • দারিদ্র্য পীড়িত মানুষ হয় : শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল।
  • অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার : শিল্প, কারখানার উন্নয়ন।
  • অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে প্রযুক্তি উন্নয়নের উপর।
  • সরকারের স্বার্থকে এক সুতায় বাধার নাম : সুশাসন।
  • সরকারের অতি পবিত্র দায়িত্ব : সংবিধান সমুন্নত রাখা।
  • সুশাসনের অবস্থান জানা যায় : আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মাধ্যমে।
  • সমাজের দর্পণ : সংবাদ মাধ্যম।
  • প্রশাসনের উপর পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকে : জনগণের।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অধিক কার্যকর করা প্রয়োজন : স্থানীয় সরকার।
  • সমাজের দর্পণ : সংবাদ মাধ্যম।
  • প্রশাসনের উপর পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকে : জনগণের।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অধিক কার্যকর করা প্রয়োজন : স্থানীয় সরকার।
  • রাষ্ট্রের সরকার তার নীতি বাস্তবায়ন করে : আমলাতন্ত্রের মাধ্যমে।
  • কার্যকর জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জন্য ছয়টি নীতির কথা বলেছে : BIOA।
  • সরকার ও নাগরিকের যোগাযোগ সহজ করে : ই-গভর্নেন্স।
  • সকলের সকল নিরাপত্তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মধ্যে নিহিত : থমাস জেফারসন।
  • কলকব্জা, যন্ত্রপাতি, দালানকোঠা হল : ভৌত পুঁজি।
  • সমাজবোধ থেকে এসেছে : অধিকার ও কর্তব্য।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিককে হতে হবে : সৎ।
  • নাগরিকের বড় গুণ : সচেতনতা।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠা নির্ভর করে : নাগরিকের কর্তব্যবোধ।
  • গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র : সাম্য।
  • সংবিধান বলে : মৌলিক অধিকারের কথা।
  • নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত করা যায় : দু’প্রকার নেতা।
  • নাগরিকদের আশা-আকাঙ্খার প্রতীক : সংবিধান।
  • সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হল : সামাজিক অধিকার।
  • ব্যক্তিস্বার্থ অর্জন বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই : দুর্নীতি।
  • জাতীয় সমস্যাসমূহের উত্থাপন ও সমাধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে : আইনসভা।
  • রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ হল : সুশাসনের ভিত্তি।
  • আইনের শাসনে বিশ্বাসী তন্ত্র : গণতন্ত্র।
  • মানুষ গণতন্ত্রের দিকে ছুটছে : উপনিবেশিক শাসন, সামরিক শাসন ও স্বৈরশাসন থেকে মুক্তির উপায়ে হিসেবে।
  • স্বচ্ছতা নিজেই : স্বচ্ছ নয়।
  • স্বৈরশাসন বলতে কিছু নেই : সুশাসনে।
  • আজকাল নগ্নভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে : ব্যবসায়ীরা।
  • দাতাদের সাহায্যে-সহযোগিতা হয় : শর্তাধীন।
  • দাতাগোষ্ঠীর উপর নির্ভরতা হ্রাস পেলে রক্ষিত হবে : জাতীয় স্বার্থ।
  • পার্লামেন্টারি শাসন ব্যবস্থায় সবকিছুর ধারক-বাহক : প্রধানমন্ত্রী।
  • গণমাধ্যম হতে পারে : দু’ধরনের।
  • গণমাধ্যমের : একটি সংবাদমাধ্যম অপরটি জনতার মাধ্যম।
  • সুশাসন প্রত্যয়টি : দ্বিমুখী।
  • দুর্নীতির সাথে সুশাসনের সম্পর্ক : বিপরীতমুখী।
  • সুশাসনে এনজিও : সরকারের সহযোগী।
  • আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা হল : সুশাসনের লক্ষ্য।
  • একটি চলমান ক্রিয়াশীল অবস্থা : সুশাসন।
  • অচল শব্দ হল: কর্তব্যপরায়ণ।
  • আইন সংশোধনের দায়িত্ব : সরকারের।
  • মানবাধিকারের মুখপাত্র : জাতিসংঘ।
  • জাতীয় চরিত্রের প্রতিফলক : ব্যক্তি চরিত্র।
  • সুশাসন নেই যেখানে দেশপ্রেম নেই।
  • গণতন্ত্র সফল করার পূর্বশর্ত : সুশাসন।
  • সঠিক দিয়ে নির্দেশনার অভাবে দায়িত্বশীলতা : অস্পষ্ট শব্দ।
  • সরকারের উদাসীনতার কারণে অচল শব্দ – কর্তব্যপরায়ণতা।
  • রাজনীতির চালিকা শক্তি ব্যবসা হলে : গণতন্ত্র রহিত হয়।
  • সুশাসন ধারণাটি সর্বজনীন নয়।
  • সুশাসন ধারণাটি সর্বজনীন না হওয়ার কারণ : এটি স্থান, কাল, পরিবেশ, জনসংখ্যা ভেদে আলাদা বলে।
  • ক্ষমতার অপব্যবহারের যৌক্তিক কারণ : ক্ষমতার কেন্দ্রিকতা।
  • জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে : সরকার।
  • সুশাসন প্রতিষ্ঠায় খুবই যৌক্তিক বিষয় শিক্ষা ও সচেতনতা।
  • দায়িত্বশীল না হওয়ার পেছনে যৌক্তিক কারণ হল : বেশির ভাগ লোকই সুবিধাবাদী ও আইনের শাসনের অভাব।
  • সুশাসনের মূল লক্ষ্য : জবাবদিহিতা।
  • মিডিয়ার স্বাধীনতা প্রয়োজন : প্রকৃত তথ্য জানার জন্য।
  • সুশাসনের মানদণ্ড হল : জনগণের সম্মিত ও সন্তুষ্টি।
  • সুশাসনের সমস্যা : কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা চর্চা।
  • আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যাপক ব্যর্থতার ফলে উদ্ভব ঘটে : সুশাসনের ধারণার।
  • ‘নাগরিকতা’ দ্বারা একটি বিশেষ গুণকে নির্দেশ করা হত : গ্রিসে।
  • প্রশাসনে দুর্নীতি হ্রাস সম্ভব : ন্যায়পাল ব্যবস্থার দ্বারা।
  • জনগণও স্বৈরাচারী সরকার কামনা করতে পারে : নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে শান্তি বিঘ্নিত হলে।
  • সুশাসনকে জনগণ ও সরকারের Win win game বলার কারণ : এতে উভয়ের অংশগ্রহণ ঘটে এবং উভয়ের লাভ হয়।