বাংলাদেশের পশু সম্পদ, বনজ সম্পদ

Category: Bangladesh
Posted on: Wednesday, September 20, 2017

Share:

পশু সম্পদ

১. দেশের কত ভাগ জনগোষ্ঠী আংশিকভাবে  পশু সম্পদেও উপর নির্ভরশীল?  – ৫০%

২. বাংলাদেশে গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার সাভারে।

৩. বাংলাদেশের গবাদি পশুতে প্রথম ভ্রণ বদল করা হয় ৬মে’১৯৯৫।

৪. বাংলাদেশের মহিষ প্রজনন কেন্দ্রটি বাগের হাটে।

৫. বাংলাদেশের পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলায় গোচারণের জন্য বাথান আছে।

৬. বাংলাদেশে ৪টি ভেটেনারী কলেজ আছে।

৭. দেশের প্রথম গাধা পালন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে রাঙামাটির পশু সম্পদ বিভাগ কমপ্লেক্সে।

 বনজ সম্পদ

১. বর্তমানে বনভূমির পরিমাণ ১৬% (১৯৯৭ অনুসারে)।

২. কোন গাছকে সূর্য কন্যা বলা হয় –  তুলা গাছকে

৩. ইউনেস্কো সুন্দরবনকে কত সালে বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভূক্ত করে –   ১৯৯৭

৪. সুন্দরবনের অন্য একটি নাম আছে নাটি হল –  বাঁদাবন

৫. বাংলাদেশের কোথায় রাবার চাষ শুরু হয় –  কক্সবাজারের রামু

৬. কতটি ঝেলায় কোন রাষ্ট্রীয় বনভূমি নেই –  ২৮ টি জেলায়

৭. বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু অঞ্চলে চিরহরিৎ পাতাঝরা বন অবস্থিত।

৮. যেসব গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায় না এবং পাতাগুরো চির সবুজ থাকে তারা চিরহরিৎ পাতাঝরা গাছ।

৯. চিরহরিৎ বনাঞ্চল-   সুন্দরবন

১০. ক্রান্তীয়অঞ্চলে যেসব গাছের পাতা বছরে একবার সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়। (যেমন মধুপুর)

১১. বাংলাদেশের দীর্ঘতম বৈলাম বৃক্ষ(ইচ্চতা ২০০ফুট) যে জেলায় পাওয়া যায় –  বান্দরবান/চট্টগ্রামও রাঙ্গামািিটর গহীনঅরণ্যে।

১২. সিলেটের বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ –  জারুল

১৩. রং প্রস’তিতে ব্যবহার করা হয় –  গরান গাছের ছাল

১৪. রেলের স্লিপার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় জারুল ও গর্জণ।

১৫. সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।সুন্দরবন ছাড়া বাংলাদেশের অন্য টাইডাল বন –  সংরক্ষিত চকোরিয়া বনাঞ্চল। বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বন নোয়াখালীতে।বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন ২৪০০ বর্গমাইল। (মোট আয়তন ৬০৬০বর্গকিমি)।সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ৫২২তম (ইউনেস্কো কর্তৃক)।

১৬. ভাওয়াল বনাঞ্চল গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত।এই অঞ্চলের প্রধানবৃক্ষ শাল।

১৭. মধুপুর বনাঞ্চল গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত (৪৫০বর্গমাইল)।

১৮. উপক’লীয় সবুজ বেষ্টনী বনাঞ্চল সৃজন করা হয়েছিল ১০টি জেলায়।

১৯. ১৯৯২ সাল থেকে বৃক্ষরোপনে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।

২০. সামাজিক বনায়ন কর্মসচীপ্রথম শুরু করা হয়চট্টগ্রামের রাঙ্গুনীয়া উপজেলা থেকে।

২১. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনে Spotted deer  পাওয়া যায়।

২২. বাংলাদেশে সামাজিক বনায়ন আন্দোলন শুরু হয় ১৯৮২ সালে। বর্তমানে ৩৬টি জেলায় রাষ্ট্রীয় বন আছে।

২৩. বাংলাদেশ প্রথম বারের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে।

২৪. সুন্দরী গাছকে ইংরেজিতে ‘লুকিং গ্লাস ট্রি’ বলা হয়।

২৫. বাংলাদেশের প্রথম হাইটেক পার্ক কোথঅয় অবস্থিত –  কালিয়াকৈর, গাজীপুর (নোয়াখালীতেও হবে)