বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য (Health Sector of bangladesh)

Category: Bangladesh
Posted on: Wednesday, September 20, 2017

Share:

১. বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচী গ্রহণ করে।

২. বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে জলবসন্ত মুক্ত এলাকা ঘোষিত হয়।

৩. বাংলাদেশে প্রথম এইডস ধরা পড়ে ১৯৮৯ সালে।

৪. দেশে জাতীয় টিকা দিবস কর্মসূচী গৃহীত হয় ১৯৯৫ সালে। বাংলাদেশে ৯৪% শিশু অপুষ্ঠির শিকার।

৫. দেশের কৃত্রিম পা সংযোজন কেন্দ্র (কক্সবাজার) চালু হয় ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসে।

৬. বিনা অপারেশনে কিডনী ও গল ব্লাডার স্টোন অপসারণ যন্ত্রের নাম লিথোস্টার প্লাস।

৭. WHO কোন শহরকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার Health City ঘোষনা করে –  চট্টগ্রাম মহানগরীকে।

৮. বাংলাদেশে সর্বশেষ গুটিবসন্ত দেখা যায় ভোলাতে ১৬ অক্টোবর ১৯৭৫ সালে।

৯. বাংলাদেশের একমাত্র সরকারী ওষুধ তৈরি প্রতিষ্ঠানের নাম এসেন্সিয়াল ড্রাগস লিমিটেড।

১০. ঢাকায় অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম ডায়াবেটিস হাসপাতাল শাহবাগ বারডেম হাসপাতাল।

১১. বাংলাদেশের আসেনিক দূষনের কারণ গবেষণায় আর্থিক সহায়তা দেয় বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আর্সেনিক পাওয়া গেছে যশোরের শার্শা থানায় ।

১২. বাংলাদেশের চিকিৎসক (ডিগ্রীপ্রাপ্ত) প্রতি জনসংখ্যা –  প্রায় ৬২১৯ জন

১৩. সূর্যের হাসি মা ও শিশু স্বাস্থের প্রতীক।

১৪. EPI  প্রকল্পের সাহায্যদানকারী সংস্থা কোনটি –  ইউনিসেফ

১৫. বাংলাদেশে সর্বপ্রথম টেস্টটিউব শিশুর মা হন কে? – ফিরোজা বেগম

১৬. বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আর্সেনিক দূষণযুক্ত জেলা কোনটি –  চাঁদপুর

১৭. বারডেম প্রতিষ্ঠা করেন –  জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ইব্রাহিম ১৯৮০ সালে।

১৮. বাংলাদেমে মাঠভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচী চালু হয় –  ১৯৬৫ সালে