বাংলাদেশের ইতিহাস : মুক্তিযুদ্ধ

Category: Bangladesh
Posted on: Wednesday, September 20, 2017

Share:

বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ হন-  সিপাহী মোস্তফা কামাল (৮ এপ্রিল ৭১)

ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান ব্লু বার্ড-১৬৬ সহ শহীদ হন পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে।

 সেক্টর — অধিনায়ক যুদ্ধ — এলাকা ও তথ্য

সেক্টর-এক: মেজর রফিকুল ইসলাম

চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার ফেনী মহকুমার অংশ বিশেষ (মুহুরী নদীর পূর্বপাড় পর্যন্ত)। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল পাঁচটি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ২১০০ সৈন্য এবং গেরিলা ছিল ২০,০০০।

 সেক্টর-দুই: মেজর খালেদ মোশাররফ

কুমিল্লা জেলার অংশ, ঢাকা জেলা ও ফরিদপুর জেলার অংশ এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল ছয়টি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ৪,০০০সৈন্য এবং গেরিলা ছিল ৩০,০০০।

 সেক্টর-তিন: মেজর কে এম শফিউল্লাহ

কুমিল্লা জেলার অংশ, ময়মনসিংহ জেলার অংশ, ঢাকা ও সিলেট জেলার অংশ।এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল সাতটি। সেক্টরট্রুপস্ ছিল ৬৬৯৩ সৈন্য এবং গেরিলা ছিল ২৫,০০০।

 সেক্টর-চার: মেজর সি আর দত্ত

সিলেট জেলার অংশ। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল ছয়টি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ৯৭৫ সৈন্য এবংগেরিলা ছিল ৯,০০০।

 সেক্টর-পাঁচ: মেজর মীর শওকত আলী

সিলেট জেলার অংশ ও ময়মনসিংহ জেলার অংশ। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল ছয়টি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ১৯৩৬ সৈন্যএবং গেরিলা ছিল ৯,০০০।

 সেক্টর-ছয়: উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার

রংপুর জেলা ও দিনাজপুর জেলার অংশ। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল পাঁচটি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ২৩১০ সৈন্যএবং গেরিলা ছিল ১১,০০০।

 সেক্টর-সাত: মেজর নাজমুল হক

রংপুর জেলার অংশ, রাজশাহী জেলার অংশ, পাবনা জেলার অংশ ও দিনাজপুর জেলার অংশ, বগুড়া জেলা। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল নয়টি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ২৩১০ সৈন্যএবং গেরিলা ছিল ১২,৫০০। সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মেজরনাজমুল হক নিহত হওয়ার পর লেঃ কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান সেক্টরঅধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 সেক্টর-আট: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী

যশোর জেলা, ফরিদপুর জেলা, কুষ্টিয়া জেলা, খুলনা ও বরিশাল জেলার অংশ। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল সাতটি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ৩৩১১ সৈন্যএবং গেরিলা ছিল ৮,০০০। ১৮ই আগস্ট লেঃ কর্নেল এম আবুল মঞ্জুরসেক্টর অধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 সেক্টর-নয়: মেজর আবদুল জলিল

বরিশাল জেলার অংশ, পটুয়াখালী জেলা, খুলনা, ফরিদপুর জেলার অংশ। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল তিনটি। সেক্টর ট্রুপস্ ছিল ৩৩১১ সৈন্যএবং গেরিলা ছিল ৮,০০০।

 সেক্টর-দশ: প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণে (নৌ সেক্টর) সমগ্র বাংলাদেশ।

এই সেক্টরটি গঠিত হয়েছিল নৌ-কমান্ডোদের দিয়ে। বিভিন্ন নদী বন্দর ও শক্র পক্ষের নৌ-যানগুলোতে অভিযান চালানোর জন্য এঁদের বিভিন্ন সেক্টরেপাঠানো হতো। লক্ষ্যবস্ত্তর গুরুত্ব এবং পাকিস্তানিদের প্রস্ত্ততি বিশ্লেষণ করে অভিযানে সাফল্য নিশ্চিত করারবিষয়টি বিবেচনায় আনা হতো এবং তার ওপর নির্ভর করত অভিযানে অংশগ্রহণকারী দলসমূহে যোদ্ধার সংখ্যা কতহবে। যে সেক্টর এলাকায় কমান্ডো অভিযান চালানো হতো, কমান্ডোরা সেই সেক্টর কমান্ডারের অধীনে কাজ করত।নৌ-অভিযান শেষে তারা আবার তাদের মূল সেক্টর- ১০ নম্বর সেক্টরের আওতায় চলে আসত। নৌ-কমান্ডোর সংখ্যাছিল ৫১৫ জন।

 সেক্টর এগার: মেজর আবু তাহের।

ময়মনসিংহ জেলার অংশ, সিলেট জেলার অংশ ও রংপুর জেলার অংশ। এই সেক্টরের সাব-সেক্টর ছিল সাতটি। সেক্টরট্রুপস্ ছিল ২৩১০ সৈন্য এবং গেরিলা ছিল ২৫,০০০। মেজর আবু তাহের১৪ নভেম্বর আহত হওয়ার পর এই সেক্টরের দায়িত্ব কাউকেও দেয়া হয়নি।

সিপাহী মোঃ মোস্তফা কামাল ভোলা জেলার হাজিপুর গ্রাম সেনাবাহিনী ১৮ এপ্রিল ৭১ প্রথম শহীদ হন।আখাউড়ার উত্তর দরুইন গ্রামে শহীদ হন।
র‌্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ ফরিদপুরের সালামতপুর গ্রাম ইপিআর ২০ এপ্রিল ৭১
ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান নরসিংদী জেলার রাজনগর গ্রাম বিমানবাহিনী ২০ আগস্ট ৭১
সিপাহী নূর মোহাম্মদ নড়াইল জেলার খালিশপুর গ্রাম সেনাবাহিনী ৫ সেপ্টেম্বর ৭১ ৮নং সেক্টরে
সিপাহী হামিদুর রহমান ঝিনাইদহ সেনাবাহিনী ২৮ অক্টোবর ৭১
ইঞ্জিন আর্টিঃ রুহুল আমিন নোয়াখালীর বাগাচাপটা গ্রামে নৌবাহিনী ১০ডিসেম্বর ৭১ খুলনার শিপইয়ার্ডে শহীদ হন। কোন সমাধিস্থল নেই।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বরিশালের রহিমগঞ্জ গ্রামে সেনাবাহিনী ১৪ ডিসেম্বর ৭১